বর্তমান প্রেক্ষাপট অনুযায়ী যুবকরা চাকরির পিছনে ছুটে জুতার তলা নষ্ট করার চাইতে ফ্রিল্যান্সিং কে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। পুর্বে আমাদের দেশে বিষয়টি নতুন হলেও এখন এ বিষয়টি সকলের কাছে মটেও নতুন নয়। ক্যারিয়ার হিসেবে ফ্রিল্যান্সিং একটি ঝামেলা মুক্ত মুলক পেশা বলে অনেকেই ফ্রিল্যান্সিং কে নিজের ক্যারিয়ার হিসেবে নিতে চাচ্ছেন। এখানে আপনি স্বাধীন ভাবে কাজ করতে পারবেন, থাকবে না অর্ডার করার মতো বস, থাকবে কোন কাজের বাধ্যবাধকতা। এ যেনো আমাদের দেশের ৯৯% মানুষের স্বপ্নের কথা। ফ্রিল্যান্সিং একটা বিশাল বৈদেশিক বাজার। এর মাধ্যমে উন্নত দেশগুলো অনুন্নত দেশের দক্ষ লোকদের দ্বারা কম টাকায় কাজটি করিয়ে নেয়। আমাদের প্রতিবেশী দেশ গুলো ভারত ও পাকিস্তান এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে নিজেদের দেশের বেকারত্ব কমিয়ে ফেলার সাথে দেশে বসেই বৈদেশিক মুদ্রা আয়ে অংশ নিচ্ছেন। আমরাও চাইলে এই সুযোগটিকে কাজে লাগিয়ে দেশের অর্থনৈতিক চাকা সচল রাখার ভুমিকাতে যোগ দিতে পারি৷ দেশে বসে দেশের খাবার খেয়ে দেশের সুযোগ ভোগ করে বৈদেশিক টাকা উপার্জন করার অর্থ হচ্ছে দেশের অর্থনীতি হাতটিকে আরো মজবুত ও শক্তিশালী করা। আর একটি শক্তিশালী অর্থনীতি হচ্ছে সে দেশের শক্ত হাতিয়ার৷ একটি যুগকে বদলাতে হলে সর্বপ্রথম সেই যুগের মানুষদের চিন্তা ভাবনাকে বদলাতে হবে।
আজ কাল ছাত্র ছাত্রীরা ফ্রিল্যান্সিং এর মাধ্যমে নিজের জীবন গড়ে তোলার অনেকে চেষ্টা করে যাচ্ছে আবার কেও নিজের জীবন গড়ে তুলছে।কারণ এটা পড়াশুনার পাশা করা যাই। এ কাজের সাথে প্রাই অধিকাংশ ছাত্র ছাত্রী রা জরিত আছে। যদিও আমাড়ের দেশে এটা নতুন কিন্তু এটার ব্যবহার অনেক হারে বাড়ছে। কিন্তু এর মাধ্যে অনেক ভাগ্য পুরোপুরি ভাবে পাল্টে যাচ্ছে এই ফ্রীল্যাসিং করে।আমরাও যদি ফ্রিল্যান্সিং এর বিশাল বাজারের সামান্য অংশ কাজে লাগাতে পারি তাহলে এটি হতে পারে আমাদের অর্থনীতি মজবুত অস্ত হিসাবে থাকবে আমাদের দেশে।
ফ্রিল্যান্সিং হচ্ছে মাল্টি বিলিয়ন ডলারের একটা বিশাল বাজার। বড় বড় দেশের কাজের আয় কমানোর জন্যে অনলাইনে ফ্রিল্যাসিং করে থাকে অনেকে। কেননা ফ্রিল্যান্সিং করতে একটা এনডয়েড ফোন ল্যাপটপ কম্পিউটার থাকেই যথেষ্ট আর বেশি কিছুর দরকার হয়না।এতে ছাত্র-ছাত্রীদের বিশেষ সুযোগ হয়।
সাধারণত ফ্রিল্যাসিং এ বেশির ভাগ ওয়েবসাইট তৈরি করে তারা বেশি ডলার ইনকাম করতে পারে।সাধারণত ফ্রিল্যান্সিং থেকে সবচেয়ে বেশি আয় করা যাই ওয়েব সাইট তৈরি করা থেকে। আর ফ্রিল্যাসিং সাধারণত ব্যবসায়ীক উদ্দ্যেশ্যে ইন্টার নেটের উপর ব্যাপক হারে ক্রম বর্ধমান নির্ভরশীলতা।আমাদের পার্শবর্তি দেশ ভারত পাকিস্তান সুযোগ গুলো বেশ হারে কাজে লাগিয়েছেন।ফলে তারা অর্নৈথতিক থেকে বেশ এগিয়ে আছেন।একটি ওয়েবসাইট এর মাধ্যমে একটা প্রতিষ্ঠান গ্রাহক তার নিজের ইচ্ছা মতো চালাতে পারে।
ফ্রিল্যান্সিং বিশেষ কাজ হলো গ্রাফিজ ডিজাইনের কাজ কেননা এটার মাধ্যমে গ্রাফিজ ডিজাইনরা বিভিন্ন ধরনের লোগো ডিজাইন করে তারা বড় বড় বিল্ডিয়ে এবং টি-শার্ট এ এবং আর অনেক জিনিস পাত্রে লগো গুলো ব্যবহার করে থাকে। এগুলো থেকে গ্রাফিজ ডিজাইনরা অনেক পরিমাণে ডলার ইনকাম করে থাকে।
একজন ওয়েবসাইট পোগ্রামার বেশির ভাগ ক্ষেত্রে ওয়েবসাইটের ডিজাইন বা ক্যালাইন্টরা এগুলার কাজ দিয়ে থাকে। এগুলা কাজ গ্রাফিজ ডিজাইনরা করে থাকে তাড়া ছাড়া এখনো অনেকেই আছে নিজের চেষ্টাই পোগ্রামিং শিখে খুব ভালো অবস্থাই আছে। তাছাড়া ফ্রিল্যান্সিং আশে পাশে আমরা যা কিছু দেখে থাকি সবকিছুরই একজন ওয়েব ডেভেলপার আছে আর ওয়েব সাইটটা একা একা তৈরি হয়না এর পিছনে রয়েছে ওয়েব ডেভেলপার কাজ করে থাকে ।
আপনি যেখান থেকে এই পেজটি ব্রাউজ করছেন এই পেজটি একা একা একা তোঁ আর করা হয়নি।এটাও কোনো না কোনো একজন বানিয়েছে সাজিয়েছে। এগুলাতো একদিন দুদিন তৈরি হয়নি এগুলা করতে অনেক চেষ্ঠা বুদ্ধি পরিশ্রমের প্রয়োজন হয়েছে।
কেননা আপনি যখন একটা তথ্য খুঁজতে গুগলে সার্জ দেন দেখবেন ঠিক আপনার সেই তথ্যটাই এসেছে। এটা ত এমনি এমনি হয়নি সেটাই তৈরি করা হয়ছে । ঠিক কোথায় গেলে আপনি ক্যাটাগরি পাবেন এবং কোথায় গেলে বা সার্চ করলে আপনি আপনার পছন্দের লেখা পাবেন সবকিছুই কেউ একজন গুছিয়েছেন।
যে ব্যক্তিই এই সার্বিক কাজটি নিয়ন্ত্রন করেছেন, তিনিই একজন ওয়েব ডেভেলপার (Web Developer)। একজন ওয়েব ডেভেলপারের কাজ গুলোকেই ওয়েব ডেভেলপমেন্ট (Web Development) বলে। একইভাবে একটি অ্যাপের জন্য যিনি করেন তাকে অ্যাপ ডেভলপার বলে।
No comments:
Post a Comment