Showing posts with label Bussiness. Show all posts
Showing posts with label Bussiness. Show all posts

মহিলা ঘরে বসে টাকা আয় করতে চায়

 যদি কোন মহিলা ঘরে বসে টাকা আয় করতে চায় তাহলে তাকে অবশ্যই অনলাইনের সাহায্য নিতে হয় কিছু আইডিয়া অবলম্বন করে আজকালকার মহিলারা অল্প সময়ে ঘরে বসে অনেক টাকা আয় করছে ঠিক তেমনি কয়েকটি আইডিয়া আপনাদের সামনে তুলে ধরছি


১. ফ্রিল্যান্সিং   

ফ্রিল্যান্সিং করে খুব সহজেই আজকালকার মহিলারা বেশ মোটা অংকের টাকা আয় করছে এই করোনাকালীন সময়ে যারা বাহিরে গিয়ে চাকরি বা ব্যবসা করতে পারছে না তাদের জন্য ফ্রিল্যান্সিং একটি অন্যতম মাধ্যম । ফ্রিল্যান্সিং বিভিন্ন ধরনের হতে পারে । যেমন : আর্টিকেল রাইটিং , এসইও মার্কেটিং , গ্রাফিক্স , ওয়েব ডিজাইনার, ওয়েব ডেভেলপার এই ফ্রিল্যান্সিং করার জন্য দরকার যথাযথ প্রশিক্ষণ। আজকালকার অনেক ইনস্টিটিউট অনলাইনে এসব প্রশিক্ষণ দিয়ে আসছে যার ফলে যার ফলে ঘরে বসেই তারা যথাযথ প্রশিক্ষণ নিতে পারছে এবং সঠিক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তারা তাদের ফ্রিল্যান্সিং থেকে অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে

২. অনলাইনে শিক্ষকতা   

যারা ঘরে বসে টাকা ইনকাম করতে চান তাদের জন্য আরেকটি অন্যতম মাধ্যম হলো অনলাইনে শিক্ষকতা। আপনি যে বিষয়ে দক্ষ হোন না কেন অনলাইন আপনাকে সাহায্য করবে এই দক্ষতা কে অনেকদূর এগিয়ে নিয়ে যেতে । যেমন আপনি গনিতে খুবই পারদর্শী আপনি চাইলে আপনার নিজস্ব একটা ওয়েবসাইট খুলে সেখানে আপনি গণিতের বিভিন্ন থিওরি প্রকাশ করতে পারেন অথবা একটা ইউটিউব চ্যানেলের মাধ্যমে আপনি খুব সহজেই গণিত শিক্ষা দিতে পারবেন । শুধু যে গণিত তাই নয়। আপনি যে বিষয়ে পারদর্শী হোন না কেন সেটা আপনি আপনার নিজস্ব ওয়েবসাইট অথবা ইউটিউব এর মাধ্যমে শিক্ষা দিয়ে একটা মোটা অঙ্কের টাকা ইনকাম করতে পারবেন


৩. ইউটিউবিং 

আপনার হাতে যদি একটি স্মার্টফোন থাকে তাহলে আপনি শুরু করে দিতে পারেন ইউটিউবিং । তবে ইউটিউব চ্যানেল খোলার আগে আপনার মাথায় রাখতে হবে আপনি কোন বিষয়ে আপনার ইউটিউব চ্যানেলে ভিডিও আপলোড করতে চান। আপনি যে বিষয়ে পারদর্শী বা যে বিষয় সম্পর্কে আপনি খুব বেশী জানেন সে বিষয়ে নিয়েই আপনি ভিডিও আপলোড করতে পারেন। যখন আপনার ভিডিওগুলো অনেক জনপ্রিয় হয়ে উঠবে তখন থেকেই মূলত আপনার ইনকাম করা শুরু হবে তবে এটি একটি বেশ দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া। অবশ্যই ধৈর্যের সাথে এ কাজটা করতে হবে তাহলেই আপনি সফলতার আলো দেখতে পারবেন

৪. ভার্চুয়াল অ্যাকাউন্ট্যান্ট  

যেসব মহিলারা হিসাব-নিকাশে খুবই দক্ষ বা হিসাব-নিকাশ করতে ভালোবাসেন তাদের জন্য অন্যতম আয়ের পথ হল ভার্চুয়াল অ্যাকাউন্ট্যান্ট । ফ্রিল্যান্সার ভার্চুয়াল অ্যাকাউন্ট্যান্ট হিসেবে ঘরে বসেই যে কোন কোম্পানির যে কোনো হিসেব নিকেশ করে আয় করতে পারেন একটি মোটা অংকের টাকা।

৫. বিভিন্ন প্রোডাক্ট অনলাইনের মাধ্যমে বিক্রি করা   

আজকালকার বাজারঘাট অনেকটা অনলাইন নির্ভর হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে যে কোন পোশাক অথবা যে কোন স্কিন প্রোডাক্ট। করোনার পর থেকে এই ব্যবসাটি আরো বেশি রমরমা হয়ে উঠছে ।তাই অনলাইনে বিভিন্ন পোশাক অথবা বিভিন্ন স্কিন প্রোডাক্ট অথবা অন্য যে কোন প্রোডাক্ট বিক্রির জন্য দরকার একটা ওয়েবসাইট অথবা ফেসবুকে বা ইনস্টাগ্রামে যেকোনো একটি পেইজ । যার মাধ্যমে আপনি খুব সহজেই আপনার নিজস্ব প্রোডাক্টগুলো পেইজে বা ওয়েবসাইটে পাবলিশ করে বিক্রি করতে পারেন। যার ফলে একটি অধিক মুনাফা অর্জন করার সুযোগ থাকে



৬: ব্লগিং করে আয়

ব্লগিং করে আপনি স্থায়ীভাবে ক্যারিয়ার গড়তে পাড়েন। এর মাধ্যামে আপনি স্থায়ীভাবে ইনকাম করতে পারেন।একবার আপনার সাইটকে দাড় করাতে পারলেই প্রতিমাসে স্থায়ীভাবে একটি ভাল পরিমানে ইনকাম করতে পারবেন ও সফল ক্যারীয়ার গড়তে পারবেন।শুরুর দিকে কষ্ট করে ভাল ভাল অনেকগুলা আর্টিকেল লিখতে পারেন তাহলে আপনার ব্লগ থেকে হাজার ডলার পর্জন্ত আয় করা সম্ভব।ইংরেজি অথবা বাংলা যেকোন ভাষাতেই আপনি আর্টিকেল লিখতে পারবেন।তবে ইংরেজিতে লিখলে বেশি আয় করা যায়।এখন বাংলাতে লিখেও ভাল ভিও পাওয়া যায় ও উপার্জন ও করা যায়। ব্লগিং করে আয় করা যায় বিজ্ঞাপন মাধ্যমে গুগল এডসেন্স লোকাল অ্যাডভার্টাইজমেন্ট ও অন্যান্য মাধ্যম থেকে আপনার ব্লগ থেকে আয় করতে পারবেন খুব সহজেই বাংলাতে লিখে যেকোনো সাইট থেকে সহজেই গুগল এডসেন্স এড দেখার মাধ্যমে আয় করতে পারবেন আপনার সাইট সাইটে অ্যাডসেন্স এর জন্য আবেদন করতে হবে আবেদনটি যদি গুগোল হতে অনুমোদন করা হয়

 তাহলে আপনার  সাইটে গুগল এডসেন্স থেকে বিজ্ঞাপন দেখানো হয় আর এ থেকেই আপনি আয় করতে পারবেন বিজ্ঞাপন গুলো দেখানোর জন্য গুগল বিভিন্ন কোম্পানি থেকে যে ডলার নেই তার কিছু অংশ সাইটের মালিক দিয়ে থাকে এতেই ব্লগারদের আই হয়ে থাকে । এছাড়াও আপনার আশেপাশের যেকোনো লোকাল মার্কেট এর বিজ্ঞাপন দেখানো মাধ্যমে তাদের থেকে কিছু টাকা নিয়ে তাদের বিজ্ঞাপন দেখাতে পারবেন । এবার আসি গুগোল ব্লগারদেরকে কিসের ভিত্তিতে তা টাকা দেয় এবং কি পরিমাণে দেয় গুগোল বিজ্ঞাপন দাতাদের থেকে যে ডলার নেয় তার মধ্য থেকে কিছু অংশ ব্লগারা পেয়ে থাকেন এজন্য ব্লগিংয়ের যে বিষয়ে লিখবেন তা অত্যাধিক গুরুত্বপূর্ণ সাধারনত যে টপিকে আর্টিকেলটি লেখা হয় ওই সম্পর্কিত বিজ্ঞাপন দেখানো হয় । ওই বিজ্ঞাপনে যদি কোন পাঠক ক্লিক করেন তাহলে প্রতি ক্লিকে আপনি একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ ডলার পাবেন আর এই ডলারের নির্ভর করে আপনি যে টপিক নিয়ে লিখছেন সেটা উপরে এবং কতজন ক্লিক করলো তার উপরে তাই যত বেশি ক্লিক করবে তত ভাল করতে পারবেন এবং আপনার নির্বাচিত বিষয়টি যদি একটু সার্চ করে বের করে নেন তাহলে ওই বিষয়ে প্রতি ক্লিকে ভালো পরিমাণে আয় করতে পারবেন।


আপনি আপনার ব্লগে ফুলটাইম পার্ট টাইম অথবা ফুল সময় অবসর সময়ে লিখতে পারেন তবে যত বেশি সময় দেবেন যত ভালো মানের আর্টিকেল লিখবেন পাঠকদের চাহিদা যত বেশি হবে আপনার আয় সে অনুসারে বেড়ে যাবে।


তাই এখন আমি আপনাদেরকে কিভাবে একটি ওয়েবসাইট তৈরি করবেন এবং কিভাবে তা দাঁড় করাতে পারবেন সে বেপারে আজকে আলোচনা করব। তাই যারা ব্লগিং করে আয় করতে চান তাদেরকে আমি সম্পূর্ণ একটি একটি ধারণা দিতে চাই তাই মনোযোগ সহকারে আমার সম্পূর্ণ লেখাটি কষ্ট করে পড়বেন



তাহলে দেরি কেন আজ থেকে শুরু করে দিন অনলাইনে টাকা রোজগার  

ডোমেইন এবং হোস্টিং কি বিস্তারিত

 

ডোমেইন - 


সারা বিশ্বের ভিতরে প্রত্যেকটি মানুষ এরই একটি নাম রয়েছে । একই নামে শহরে অনেক লোক থাকতে পারে ।  কিন্তু তাদের ঠিকানা  ভিন্ন ভিন হয়ে থাকে । এদের দেশ একই হতে পারে আবার  ভিন্ন ভিন্ন ও হয়ে থাকতে পারে । আর একই ভাবে ইন্টারনেট ও ব্যবহার রয়েছে । আর ঠিক তেমনি  প্রতিটা  ওয়েবসাইট এর  যে সতন্ত্র  নাম থাকে তাকেই  ডোমেইন নেম বলা হয়ে থাকে । ডোমেইন নেম এক ও অদ্বিতীয় হয়ে থাকে । ডোমেইন নেম রেজিস্ট্রেশন করলেই বছরে  নির্দিষ্ট  পরিমান  একটা বাড়া দেওয়া লাগে । এই ডোমেইন নেম ছাড়া ব্যবহারকারী  কোন ওয়েবসাইট এর ডেটা দেখতে পারবে ণা । 


ডোমেইন নেম রেজিস্ট্রেশন এর সময় ব্যান্ডউইডথ এর  বিষয়  চিন্তা করতে হয় না । ডোমেইন নেম রেজিস্ট্রেশন এর সময় সার্ভার কনফিগারের কথা  চিন্তা করা লাগে না । ডোমেইন নেম রেজিস্ট্রেশন এর সময় কন্ট্রোল প্যানেল এর কথা  চিন্তা করা লাগে না । ডোমেইন নেম রেজিস্ট্রেশন এর সময় ডোমেইন নেম  প্রদানকারী  প্রতিষ্ঠানের  গুণগত মান,  কারিগরি  দক্ষতা  এসব কথা বিবেচনা করতে হয় না ।  কারন সমস্ত রেজিস্ট্রেশন হয় ICANN থেকে । 


টপ লেভেল ডোমেইন -


.Com -  বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান ( Commercial Organization ) এর জন্য এই ধরনের ডোমেইন ব্যবহার করা হয়ে থাকে। 

.Org - সাধারনত অলাভজনক বা সেবামুলক প্রতিষ্ঠানের জন্য কিন্তু কোন বাধ্যবাধকতা  নিয়ম নেই।

 . edu - সাধারনত স্কুল,  কলেজ , মাদরাসা , বিশ্ববিদ্যালয় ও  শিক্ষা সংক্রান্ত  প্রতিষ্ঠানের  জন্য নির্ধারিত করা। 

.net - নেটওয়ার্ক সার্ভিস প্রতিষ্ঠানের জন্য । যেমন -  bangla.net 

.int - আন্তর্জাতিক  সেবামূলক প্রতিষ্ঠান ।  যেমন - un.int

.mil - যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য । যেমন - army.mil 

. biz - ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের জন্য ব্যবহৃত  হয় । 


হোস্টিং - 


আমাদের মোবাইলে, Computer  এ যে অদিও, ভিডিও গান তারপরে ফাইল রাখি, তার জন্য মেমোরি কার্ড ব্যবহার করে থাকে সবাই। আর Computer  এর  জন্য হার্ডডিস্ক, এস এস ডি ব্যাবহার করা হয়। 


হার্ডডিস্ক হল মূলত  মেমোরি কার্ড এর মতোই  হার্ডডিস্ক এ  অদিও, ভিডিও গান, মুভি, নাতক, দরকারি ফাইল সবকিছু রাখা যাই ।  আর এস এসডি  ও মেমোরি কার্ড এর মত কিন্তু এস এস ডি  হার্ডডিস্ক এর  থেকে একটু ফাস্ট কাজ করে থাকে । 


ইন্টারনেট  ওয়েবের ফাইল গুলো কোন সার্ভার এ রাখাকে ওয়েব হোস্টিং বলা হয়। একটি হোস্টিং এর অধিনে মূলত অনেক গুলো ডোমেইন  থাকতে পারে। হোস্টিং হচ্ছে  মূলত  অনলাইনে ওয়েবসাইট আপ Load  করার  সার্ভার বা কম্পিউটার এর হার্ডডিস্ক এর জাইগা । আর এই জায়গা সাধারনত কোন  আইএসপি ( ISP- internet Service Provider ) ব্যবসায়ীরা দিয়ে থাকে । ওয়েবপেজটি হোস্টিং করতে জেহুতু জাইগা লাগবে তার উপর বিত্তি করে  ব্যবসায়ীরা একটা ভাড়া নিয়ে থাকে । এদের কাছ থেকে টাকার বিনিময় এসব সার্ভিস পাওয়া যাই । যার যতটুকু জাইগা লাগবে তার উপর নির্ভর  করে তারা টাকা নিয়ে থাকে । যেমন - কারো ৫ জিবি লাগে, আবার কারো ১০ জিবি,  কারো ২০ জিবি যার যত জিবি হোস্টিং লাগে তার উপর তারা টাকা  নিয়ে থাকে ।  ওয়েব হোস্টিং ছাড়া ওয়েবসাইট ইন্টারনেটে রাখা যাই না । 

হোস্টিং এর বিষয় সার্ভার  এর  কনফিগার এর কথা চিন্তা করা লাগে না। হোস্টিং এর বিষয় ব্যান্ডউইডথ এর কথা চিন্তা করা লাগে। হোস্টিং এর বিষয় কন্ট্রোল প্যানেল এর কথা বিবেছনা করতে হয় না। 

হোস্টিং এর  বিষয় হোস্টিং প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান এর গুণগত মান, কারিগরি দক্ষতা এইসব বিষয় চিন্তা করা লাগে । কারন যে কারো কাছ দিয়া হোস্টিং নিলেই হবে না। তাদের বিষয় এ আগে খোজখোবর নিতে হবে । তারা কেমন সার্ভিস দেয় সেটা জানা লাগবে । তারপরে তাদের থেকে নিয়া লাগবে । কারন হোস্টিং এর উপর এই ওয়েবসাইট এর স্পীড নির্ভর করে। হোস্টিং যদি ভালো না হয় তাহলে ওয়েবসাইটটি ভিসিট করলে অনেক স্লও আসবে, আর তাহলে ভিজিটররা ওয়েব সাইটটিতে এসে বিরক্ত হবে পরে আর কখনো ওই ওয়েবসাইটটি  ভিসিট  করবে না । তাই হোস্টিং নিলে ভালো কোঁম্পানি থেকে নিতে হবে। যাতে ওয়েস সাইটটি  অনেক ফাস্ট কাজ করে, আর এতে ভিসিটররাও অনেক খুশি হবে মানে ওয়েবসাইট টি ভিসিট করলে ও তার ভালো লাগবে আর সে একদিন ওয়েবসাইটটি তে ঢুকলে পরের দিন ও সাইটটি ভিসিট করতে আসবে । আর তাছারাও ভিসিটররা যদি ওয়েবসাইট এ ঢুকে অল্প কিছু সময় থেকে বের হইয়া জাই তাহলা ওয়েবসাইট এর Bouncher রেট বেড়ে যাবে। 

ইমেইল মার্কেটিং কি? কিভাবে করবেন ইমেইল মার্কেটিং? Email marketing

 


ইমেইল মার্কেটিং হল টার্গেটকৃত ব্যাক্তির ইমেইল  ইমেইল সংগ্রহ করে তার কাছে সার্ভিস বা পণ্য এর সরবরাহ করার মাধ্যমে ব্যবসা করা।

ইমেইল মার্কেটিং হল ডিজিটাল মার্কেটিং এর একটি শাখা। 

 ইমেইল মার্কেটিং খুবই কার্যকরী একটি মাধ্যম। কোন টিভি, বিলবোর্ড,  ম্যাগাজিন, পত্রিকায় প্রচুর টাকা ব্যায় করেও সবসময় সুফল পাওয়া জায়না। 







 সেখানে আপনি ফ্রীতেই আপনার সার্ভিস বা পণ্যকে আপনার টার্গেটেড ব্যাক্তির কাছে পৌছে দিতে পারছেন। এতে আপনার সময় ও টাকা সব এ বাচতেছে তাহলেতো খুবই ভাল হয়। এছাড়াও আপনি বাসাতে বসেই পৃথিবীর যেকোন প্রান্তে ছরিয়ে দিতে পারতেছেন আপনার সার্ভিস বা পণ্যকে। 

 আচ্ছা এবার আপনাদের কে বলব কিভাবে ইমেইল মার্কেটিং করবেন। এইজন্য প্রথমে আপনাকে আপনার টার্গেটেড ব্যাক্তির ব্যক্তিগত মেইল কালেক্ট করতে হবে। ভাবছেন কিভাবে সংগ্রহ করবেন? একদম সহজ। সংগ্রহ করার জন্য আপনাকে গুগল গিয়ে সার্চ করতে হবে। যেমন ধরুন আপনাকে যুক্তরাষ্ট্রের ছাত্রদের জিমেইল সংগ্রহ করতে হবে। এজন্য আপনাকে একটা কী ওয়ার্ড লিখে সার্চ করতে হবে। যেমন আপনি লিখলেন "United states"  "@ gmail" "student” 









   এইভাবে লিখে সার্চ দিতে হবে। ধরুন এখন আপনার শিক্ষকদের ইমেইল লাগবে তখন teacher  দিবেন। এ ভাবে যেকোন ক্যাটাগরিতে সার্চ দিবেন। তেমনিভাবে United kingdom, Australia বা অন্য যেকোন দেশ হতে পারে। আবার @ hotmail  বা অন্য কোন মেইল ও সংগ্রহ করতে পারেন। সার্চ অপশনে আপনার প্রয়োজনীয় কী ওয়ার্ড লিখে সার্চ দিবেন। তারপরে গুগলে দেখানো সাইটে গিয়ে মেইল বিদ্যমান  আছে এমন সকল টেক্সটকে সিলেক্ট করে কপি করবেন। তারপড় অসংখ্য কপি করা লিখা  থেকে মেইলকে খুব সহজে বের করে আনার জন্য আপনাকে একটা মেইল এক্সট্রাক্টর ব্যবহার করতে হবে। আপনি গুগলে গিয়ে মেইল এক্সট্রাক্টর লিখে সার্চ দিলে অনেকগুলা এক্সট্রাক্ট করার টুলস সাইট পেয়ে যাবেন। সাইটে গিয়ে আপনার কপি করা টেক্সট কে পেষ্ট করে দিতে হবে। পরে সবগুলা মেইল একসাথে পেয়ে যাবেন। সবমেইলগুলা থেকে  শুধুমাত্র Active mail কে বের করার জন্য অনেক  email verifire সাইট পাবেন যেমন truemail এ চেক করে বের করে নিতে পারেন। তাড়পরে এসকল একটিভ ব্যক্তিদের কাছে আপনার সার্ভিস বা পণ্যের মেইল পাঠান। তাদের মধ্যে অনেকেই আপনার দেওয়া সার্ভিস গ্রহন করবে। এভাবে আপনি কিছু সময়ের মধ্যেই ১০ থেকে ৫০ হাজার মেইল সংগ্রহ করে ফেলতে পারেন।  মুহূর্তেই আপনার সেবা পৌছে দিতে পারবেন সবজায়গাতে। আর এত এত মেইল একটি একটি করে পাঠানো অনেকটা অসম্ভবই। তাই একটা ট্রিক্স ফলো করে একটা মেইলে ১০০-১৫০ জনকে একসাথে পাঠিয়ে দেন। এজন্য আপনার জিমেইল এর To অপশনে কপি করে অনেকগুলা মেইলএড্রেসে একসাথে পাঠিয়ে দিন মাত্র একটা মেইল সেন্ট করেই। ব্যাস হয়ে গেল আপনার ইমেইল মার্কেটিং।  এছাড়া আপনি মোবাইল নাম্বার যেকোনভাবে সংগ্রহ করতে পারলে এভাবে মার্কেটিং করতে পারবেন। এখন কথা হল আপনার মেইলে কি লিখে পাঠাবেন! যেমন আপনার পণ্য বা যে কোন সার্ভিসের ব্যপারে লিখতে পারেন।  যেমন লোকাল কাস্টমার হলে সরাসরি সার্ভিস নেওয়ার জন্য লোকেশন দেন বা অনলাইনে সার্ভিস দিয়ে থাকলে আপনার ওয়েবসাইট লিংক দেন। অথবা সাইট না থাকলে একটা ফেসবুক পেজ দিয়ে আপনার ব্যবসা শুরু করে দিন। এছাড়াও আপনি ইমেইল মার্কেটিং করতে পারবেন বিভিন্য মার্কেট প্লেস যেমন ফাইভার, আপওয়ার্ক, ফ্রীলান্সার, গুরু, পিপল পার আওয়ার ইত্যাদি।  আপনি পুরু পুরি ভাবে শিখে কাজটি করা শুরু করে দিলে মাসে ভালই একটা পরিমান ইনকাম করতে পারবেন।


ওয়েব ডেভেলপার হিসেবে কিভাবে আয় করা যায়? web development

 বর্তমান প্রেক্ষাপট অনুযায়ী যুবকরা চাকরির পিছনে ছুটে জুতার তলা নষ্ট করার চাইতে ফ্রিল্যান্সিং কে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। পুর্বে আমাদের দেশে বিষয়টি নতুন হলেও এখন এ বিষয়টি সকলের কাছে মটেও নতুন নয়। ক্যারিয়ার হিসেবে ফ্রিল্যান্সিং একটি ঝামেলা মুক্ত মুলক পেশা বলে অনেকেই ফ্রিল্যান্সিং কে নিজের ক্যারিয়ার হিসেবে নিতে চাচ্ছেন। এখানে আপনি স্বাধীন ভাবে কাজ করতে পারবেন, থাকবে না অর্ডার করার মতো বস, থাকবে কোন কাজের বাধ্যবাধকতা। এ যেনো আমাদের দেশের ৯৯% মানুষের স্বপ্নের কথা। ফ্রিল্যান্সিং একটা বিশাল বৈদেশিক বাজার। এর মাধ্যমে উন্নত দেশগুলো অনুন্নত দেশের দক্ষ লোকদের দ্বারা কম টাকায় কাজটি করিয়ে নেয়। আমাদের প্রতিবেশী দেশ গুলো ভারত ও পাকিস্তান এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে নিজেদের দেশের বেকারত্ব কমিয়ে ফেলার সাথে দেশে বসেই বৈদেশিক মুদ্রা আয়ে অংশ নিচ্ছেন। আমরাও চাইলে এই সুযোগটিকে কাজে লাগিয়ে দেশের অর্থনৈতিক চাকা সচল রাখার ভুমিকাতে যোগ দিতে পারি৷ দেশে বসে দেশের খাবার খেয়ে দেশের সুযোগ ভোগ করে বৈদেশিক টাকা উপার্জন করার অর্থ হচ্ছে দেশের অর্থনীতি হাতটিকে আরো মজবুত ও শক্তিশালী করা। আর একটি শক্তিশালী অর্থনীতি হচ্ছে সে দেশের শক্ত হাতিয়ার৷ একটি যুগকে বদলাতে হলে সর্বপ্রথম সেই যুগের মানুষদের চিন্তা ভাবনাকে বদলাতে হবে।


web development





আজ কাল ছাত্র ছাত্রীরা ফ্রিল্যান্সিং এর মাধ্যমে নিজের জীবন গড়ে তোলার অনেকে চেষ্টা করে যাচ্ছে আবার কেও নিজের জীবন গড়ে তুলছে।কারণ এটা পড়াশুনার পাশা করা যাই। এ কাজের সাথে প্রাই অধিকাংশ ছাত্র ছাত্রী রা জরিত আছে। যদিও আমাড়ের দেশে এটা নতুন কিন্তু এটার ব্যবহার অনেক হারে বাড়ছে। কিন্তু এর মাধ্যে অনেক ভাগ্য পুরোপুরি ভাবে পাল্টে যাচ্ছে এই ফ্রীল্যাসিং করে।আমরাও যদি ফ্রিল্যান্সিং এর বিশাল বাজারের সামান্য অংশ কাজে লাগাতে পারি তাহলে এটি হতে পারে আমাদের অর্থনীতি মজবুত অস্ত হিসাবে থাকবে আমাদের দেশে।


ফ্রিল্যান্সিং হচ্ছে মাল্টি বিলিয়ন ডলারের একটা বিশাল বাজার। বড় বড় দেশের কাজের আয় কমানোর জন্যে অনলাইনে ফ্রিল্যাসিং করে থাকে অনেকে। কেননা  ফ্রিল্যান্সিং করতে একটা এনডয়েড ফোন ল্যাপটপ কম্পিউটার থাকেই যথেষ্ট আর বেশি কিছুর দরকার হয়না।এতে ছাত্র-ছাত্রীদের বিশেষ সুযোগ হয়।


সাধারণত ফ্রিল্যাসিং এ বেশির ভাগ ওয়েবসাইট তৈরি করে তারা বেশি ডলার ইনকাম করতে পারে।সাধারণত ফ্রিল্যান্সিং থেকে সবচেয়ে বেশি আয় করা যাই ওয়েব সাইট তৈরি করা থেকে। আর ফ্রিল্যাসিং সাধারণত ব্যবসায়ীক উদ্দ্যেশ্যে ইন্টার নেটের উপর ব্যাপক হারে ক্রম বর্ধমান নির্ভরশীলতা।আমাদের পার্শবর্তি দেশ ভারত পাকিস্তান সুযোগ গুলো বেশ হারে কাজে লাগিয়েছেন।ফলে তারা অর্নৈথতিক থেকে বেশ এগিয়ে আছেন।একটি ওয়েবসাইট এর মাধ্যমে একটা প্রতিষ্ঠান গ্রাহক তার নিজের ইচ্ছা মতো চালাতে পারে।


 ফ্রিল্যান্সিং বিশেষ কাজ হলো গ্রাফিজ ডিজাইনের কাজ কেননা এটার মাধ্যমে গ্রাফিজ ডিজাইনরা বিভিন্ন ধরনের লোগো ডিজাইন করে তারা বড় বড় বিল্ডিয়ে এবং টি-শার্ট এ এবং আর অনেক জিনিস পাত্রে লগো গুলো ব্যবহার করে থাকে। এগুলো থেকে গ্রাফিজ ডিজাইনরা অনেক পরিমাণে ডলার ইনকাম করে থাকে। 


একজন ওয়েবসাইট পোগ্রামার বেশির ভাগ ক্ষেত্রে ওয়েবসাইটের ডিজাইন বা ক্যালাইন্টরা এগুলার কাজ দিয়ে থাকে। এগুলা কাজ গ্রাফিজ ডিজাইনরা করে থাকে তাড়া ছাড়া এখনো অনেকেই আছে নিজের চেষ্টাই পোগ্রামিং শিখে খুব ভালো অবস্থাই আছে। তাছাড়া ফ্রিল্যান্সিং  আশে পাশে আমরা যা কিছু দেখে থাকি সবকিছুরই একজন ওয়েব ডেভেলপার    আছে আর ওয়েব সাইটটা একা একা তৈরি হয়না এর পিছনে রয়েছে ওয়েব ডেভেলপার কাজ করে থাকে ।


আপনি যেখান থেকে এই পেজটি ব্রাউজ করছেন এই পেজটি একা একা একা তোঁ আর করা হয়নি।এটাও কোনো না কোনো একজন বানিয়েছে সাজিয়েছে। এগুলাতো একদিন দুদিন তৈরি হয়নি এগুলা করতে অনেক চেষ্ঠা বুদ্ধি পরিশ্রমের প্রয়োজন হয়েছে। 


কেননা আপনি যখন একটা তথ্য খুঁজতে গুগলে সার্জ দেন দেখবেন ঠিক আপনার সেই তথ্যটাই এসেছে। এটা ত এমনি এমনি হয়নি সেটাই তৈরি করা হয়ছে । ঠিক কোথায় গেলে আপনি ক্যাটাগরি পাবেন এবং কোথায় গেলে বা সার্চ করলে আপনি আপনার পছন্দের লেখা পাবেন সবকিছুই কেউ একজন গুছিয়েছেন।


যে ব্যক্তিই এই সার্বিক কাজটি নিয়ন্ত্রন করেছেন, তিনিই একজন ওয়েব ডেভেলপার (Web Developer)। একজন ওয়েব ডেভেলপারের কাজ গুলোকেই ওয়েব ডেভেলপমেন্ট (Web Development) বলে। একইভাবে একটি অ্যাপের জন্য যিনি করেন তাকে অ্যাপ ডেভলপার বলে।