বই কিনতে চাইলে এই আরটিকেল টি পড়ুন -

 প্রখ্যাত উর্দু কবি ইকবাল ও মুঘল সম্রাট আকবরের নবরত্নের অন্যতম আবুল ফজল 'মাওলানা' ছিলেন না, তবে তাদের 'আল্লামা' বলা হয়।

আর এদেশের আলিমদের অনেককে 'মাওলানা' না বলে 'আল্লামা' বলা হয়।

এর কারণ কী?

জানতে চাইলে পড়ুন আমার লেখা বই-


'মাওলানা ও আল্লামা নিয়ে বিভ্রান্তি'

আ.ফ.ম. সাঈদ


মূল্য-১৪০ টাকা।








নাস্তিক বলতে কোনো কালে কেউ ছিল না। নাস্তিক নামাবলিতে কেউ ছিল ছদ্ম-নাস্তিক, কেউ ছদ্ম-আস্তিক আবার কেউ বা অজ্ঞেয়বাদী। কারো কারো নাস্তিকতা ছিল আরোপিত। ধর্মের সাথে বিজ্ঞানের বিরোধের জের ধরে প্রতিক্রিয়াশীলতার আবেশজাত এক ধরনের মানসিক বিকার থেকে নাস্তিকতার শুরু। বর্তমানে সে বিরোধ ও বিকার অবসিত হয়েছে। আর নাস্তিকতাকে একটি শক্তি হিসেবে দাঁড় করাতে, নাস্তিকতার প্রচার ও প্রসার ঘটাতে পৃষ্ঠপোষকতা করত যে-বৃহৎ শক্তি, সে সোভিয়েত রাশিয়া এখন বিলুপ্ত। ...


হোমো রিলিজিওসাস

(মানুষ ধর্মীয় জীব)

ডা. মোঃ আলবাবুর রহমান

মূল্য-৮০০ টাকা








ভাসানী-মুজিব-জিয়া

জিবলু রহমান


বাংলাদেশের রাজনীতিতে মওলানা ভাসানীর আপসহীন ভূমিকা ও সংগ্রামী জীবন যতই পড়া যাক, নতুন কিছু তথ্য পড়ার আগ্রহ শেষ হবার নয়। ভাসানী-মুজিব-জিয়া বইটিতে মূলত ১৯৭২-১৯৭৬ সাল পর্যন্ত মওলানা ভাসানীর রাজনীতিতে উত্তাপ ছড়ানো ভাষণ, চিঠি, বিবৃতি দিয়ে সাজানো হয়েছে। বইটি পড়লে সহজে অনুভব করা যায়, আবেগ নয় বাস্তবতা নিয়ে মওলানা ভাসানী ক্ষমতাসীন সরকারকে অনেক বিষয়ে সতর্ক করেছিলেন। সরকার সেটা অনুভব করেছিলেন ঠিকই কিন্তু বাস্তবতার আলোকে পদক্ষেপ নিতে পারেননি। স্বাধীনতাপর কয়েক বছর বেঁচে থাকা মওলানা ভাসানীর সেইসব দিনগুলোর তথ্য জানতে পাঠকবৃন্দ পড়তে পারেন ভাসানী-মুজিব-জিয়া বইটি।


মূল্য-750 টাকা।










মওলানা ভাসানীর আজীবন কৃষক-জনতার অধিকার আদায়ে তৎপর ছিলেন। ক্ষমতা বা অর্থের প্রতি লোভ ছিল না তাঁর। এরপরও এক শ্রেণির পাঠক মওলানা ভাসানীর বিভিন্ন রাজনৈতিক কৌশলকে ব্যাখা দিচ্ছেন। তারা বিভিন্ন বিখ্যাত বা অখ্যাত বইয়ের লেখকের কথা বলছেন। মওলানা ভাসানী এক বিশাল সমুদ্র, যার কিনারা পাওয়া কোনোদিনও সম্ভব নয়। তাঁর সম্পর্কে পড়তে হবে বেশি করে। না হলে ভুল ধারণা সংশোধন করা যাবে না। কিছু লোক মওলানা ভাসানীকে কমিউনিষ্ট হিসেবে ব্যাখা দেয়। তাদের প্রতি অনুরোধ এই বইটি পড়বেন। অনেক বিষয় জানতে পারবেন। পক্ষে-বিপক্ষে কোনো কিছু না পড়লে সঠিক যুক্তি বের করা অম্ভব।

মওলানা ভাসানী প্রণীত ইসলামী রচনা সমগ্র
জিবলু রহমান
ডাকমাসুলসহ মূল-৩৫০ টাকা।









হিজাব ও বহুবিবাহ
ডা. মোঃ আলবাবুর রহমান

পোশাক-পরিচ্ছদ মানুষের জীবনের অবিচ্ছেদ্য ও সার্বক্ষণিক বিষয়। প্রতিদিন প্রতিনিয়ত মানবদেহকে আবৃত করে রাখে তার পোশাক। পোশাকের মাধ্যমে ফুটে ওঠে ব্যক্তির অভ্যন্তরীণ গুণাবলি, রুচি ও ব্যক্তিত্বের ছাপ। 
নারী  ও পুরুষের পারস্পরিক আকর্ষণই স্বাভাবিক এবং এ কারণেই গড়ে ওঠে পরিবার জীবন। কিন্তু এ আকর্ষণ যেন ভিন্নখাতে প্রবাহিত হতে না পারে সে জন্যই শালীন পোশাক। নারী-পুরুষ সকলের শালীন পোশাকে দেহ আবৃত করে চলা একান্ত প্রয়োজন। পরিবারের সম্প্রীতি, দাম্পত্য সুসম্পর্ক ও সামাজিক পবিত্রতা রক্ষার জন্যও তা দরকার। 
ইসলাম যেহেতু পরিপূর্ণ একটি জীবনবিধান; তাই পোশাকের ব্যাপারেও রয়েছে ইসলামের নির্দেশনা। এ বিধান কিন্তু দুই লিঙ্গের জন্য সমান নয়। যেহেতু শরীরের গঠনপ্রকৃতি আলাদা, তাই পোশাকের ধরনও আলাদা। কুরআনে বর্ণিত মূলনীতির ভিত্তিতে এবং হাদিসে বর্ণিত আরো বিস্তারিত বিবরণের মাধ্যমেই তা জানতে হবে। 
পুরুষের পোশাক নিয়ে সমস্যা খুব একটা নেই। সমস্যা নারীদের পোশাক নিয়ে। নারীদের ইসলাম অনুমোদিত পোশাকের নাম আরবিতে হিজাব। ফার্সি ভাষায় পর্দা শব্দই প্রচলিত ও প্রসিদ্ধ। হিজাব অর্থÑআড়াল বা আবরণ। ইসলামি পরিভাষায় হিজাব অর্থ শুধু পোশাকের আবরণই নয়, বরং সামগ্রিক একটি সামাজিক ব্যবস্থা যাতে নারী-পুরুষের মধ্যে অপবিত্র ও অবৈধ সম্পর্ক গড়ে ওঠতে না পারে। এখানে আলোচিত বিষয় শুধু পোশাকের আবরণ।

মূল্য-৫০০ টাকা












১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারির পর নিহত শহীদদের সাথে তামাশা করার জন্য তৎকালীন সরকার একটি কমিশন গঠন করেছিল। বিচারপতি এলিস-নামধারী কমিশন প্রতিবেদন দিয়েছিল সরকারের পক্ষে এরকম অনেক দলিল ও ঘটনা নিয়ে সাজানো হয়েছে বইটি।

ভাষা আন্দোলন ১৯৫২
জিবলু রহমান

বইয়ের বিষয়বস্তু-
-পলাশির মাঠে বাঙালির অধিকার হরণ
-সিধু মুর্মু, কানু মুর্মু, চাঁদ মুর্মু, ভায়রো মুর্মুর সংগ্রাম
-১৮৫৭ সালের সিপাহি বিপ্লব
-বঙ্গভঙ্গের রাজনীতি: ইংরেজদের নতুন বিভাজনের চেষ্টা
-সর্বভারতীয় মুসলিম লীগ
-বাংলার নির্বাচন
-বাংলার রাজনীতিতে ফজলুল হকের আবির্ভাব
-কবি ইকবালের মুসলিম রাষ্ট্রের স্বপ্ন
-সূর্যসেনের চট্টগ্রামে অস্ত্র লুট ও প্রীতিলতার ত্যাগ
-ক্যামব্রিজ গ্রুপ ও চৌধুরী রহমত আলী
-ইকবাল ও জিন্নাহর অন্তরঙ্গতা
-আমি বাংলা উত্তর চাই: মওলানা ভাসানী
-সিন্ধু মুসলিম লীগের ঘোষণা ও ড. লতিফের তৎপরতা
-লাহোর অধিবেশন
-ক্যাবিনেট মিশন প্ল্যান কী
-সিলেটের গণভোট
-হায়দ্রাবাদ দখল
-লাহোর অধিবেশের পরে অধিকার ও ভাষা নিয়ে সচেতনতা
-তমদ্দুন মজলিসের ত্যাগ
-জিন্নাহ ঘোষণা ভাষার বিষয়টি পরিস্কার করে
-মূলনীতি’র বিরুদ্ধে মওলানা ভাসানীর আন্দোলন
-নাজিমুদ্দিনের ঘোষণা থেকে ২১ ফেব্রুয়ারির গুলি
-প্রথম কবিতা, প্রথম শহিদমিনার
-এলিস কমিশনের রিপোর্ট
-ভাষাশহিদ রফিক উদ্দিন আহমদ
-বাংলা ভাষার জন্য আসামের আত্নহুতি
-সংবাদপত্রের ভূমিকা
-১৯৫৩ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি
-১৯৫৪ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি
-১৯৫৫ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি
-১৯৫৬ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি
-আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতি।

No comments:

Post a Comment