Showing posts with label sience and techonology. Show all posts
Showing posts with label sience and techonology. Show all posts

আমাদের জীবনে বিজ্ঞানের ব্যবহার The use of science in our lives

 Today we will learn in this article why the use of science is essential in our lives. And why can't we continue without the use of science. And you can learn all these things from this article today




At present Bangladesh or all the countries outside Bangladesh are now dependent on science. There is no time and imagination in our life without the help of science, now any kind of people are dependent on science. Now all the people who wake up in the morning and go to sleep at night are dependent on science. It can be said that now science is the companion of human daily life.











The use of science in our lives:



It is not possible for a person to walk for a minute without science. Now every minute, every moment, every step, the use of science in our lives is immense, people are living with the help of science. This is written while sitting - pen and ink in hand, writing paper, even the use of reproductive science in the sitting area is immense. The use of science in our path, in the office-court and even in the seating area is immense. And not only that, our home, this basic need for accommodation is also driven by science. The infinity of science in our lives cannot be overstated, in almost every task in our lives we have to go above and beyond science.






Science in city life:



In urban life, people and science are intertwined. The sound of the clock woke people up in the city. I wake up and start the day with toothpaste and toothbrush, and after that comes paper paper, and after paper paper people can know the news from home and abroad, again after news with computer laptop or mobile phone, there is a website of TV channel. In Khan, journalists cover the country and abroad,


Those who do not wear the newspaper mainly use computer laptop or mobile phone, can know the news of the country and abroad. After that they cook and eat it on the gas or heater. Arrive at work by rickshaw, extra rickshaw, bus, train or motorcycle. People used to go to the office by stairs, now I go to the office by elevator instead of stairs. We send news far and wide through telephone, fax or email. I write down the subject of the work on the computer.








Kelant sits under an AC or electric fan to relax his body - this is how we continue our life with the help of science all day long. Back in the evening, I try to keep my mind fresh by playing music or TV to get rid of the fatigue of the day. The boys keep notes, sometimes play video games, or listen to audio and video songs and talk to the guys on Facebook. Even the contribution of science in every aspect of life is immense.






Science in rural life:



People today are moving far and wide for the wonderful contribution of science during communication. Buses, rickshaws, vans, bicycles, motorcycles are all close neighbors. Buses, rickshaws, vans, motorcycles, are all now part of rural life. As a result, science has gone beyond the city life to the village. At present, rural life and science are on the rise. Toothpaste, toothbrush, TV, radio, mobile phone, torch, soap, powder, mirror, comb, chemical fertilizer, pesticide, tractor, now involved with people in rural life. Just as people in the cities are making science their companion to make their lives easier, so have the poor in the villages, the aristocracy.






Disadvantages of using science in our lives:



Silence on science has done a lot of harm to people in our lives. People have become reluctant to work on modern things. They are doing less physical work than human work. And as a result, they are suffering from many complex diseases. The human balance is being lost. The biggest thing is - it is causing a lot of problems in people's lives. Good qualities like human maya, mamata are being lost. People are waking up to the fact that science is blindly believing in the power of human beings, and people are becoming more and more obsessed with it. And there are many people who are doing a lot of bad things using this information technology, so there are good and bad aspects of information technology. , And it depends entirely on the user who uses it silently, whether he uses it for bad or good.






The bottom line is that the use of science in our lives has brought many useful things to our hands today. Everything we need from morning to evening and from evening to night is the contribution of science. Science is our constant companion today. Science is making our lives easier today. However, the use of science in our lives has not only done good, but also caused a lot of harm. And so we need to be more aware from today without misusing science.




Let us know what you think of this article today by commenting on it ............

কম্পিউটার সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা নতুনদের জন্য

 

কম্পিউটারঃ

বর্তমান যুগকে বলা হয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির যুগ।  কম্পিউটার আমাদেরকে দিয়েছি আধুনিকতার এক ভিন্নমাত্রা।  কম্পিউটার  ছাড়া একমুহুর্ত কল্পনাও করা যায়না।  হিসাব করার জন্য  তৈরী হলেও এর মাধ্যমে বর্তমানে সকল ধরনের কাজ করে থাকি আমরা।সর্বপ্রথম আধুনিক কম্পিউটারের সূচনা হয় হাওয়ার্ড এইকিন এর হাত ধরে। 

কম্পিউটার এর দুইটা অংশ রয়েছেঃ ১  হার্ডওয়্যার,  ২ সফটওয়্যার 

কম্পিউটার কি?


একটি কম্পিউটার একটি বৈদ্যুতিন ডিভাইস যা ব্যবহারকারীর কাছ থেকে ডেটা গ্রহণ করে, এটি প্রক্রিয়া করে, ফলাফল তৈরি করে, ব্যবহারকারীর কাছে প্রদর্শন করে এবং ভবিষ্যতের ব্যবহারের জন্য ফলাফলগুলি সংরক্ষণ করে।

ডেটা হ'ল অসংগঠিত তথ্য ও পরিসংখ্যানের সংগ্রহ এবং নিদর্শন, প্রসঙ্গ ইত্যাদি সম্পর্কিত আরও কোনও তথ্য সরবরাহ করে না সুতরাং তথ্যের অর্থ "অব্যবহৃত তথ্য এবং পরিসংখ্যান"।

তথ্য হল একটি কাঠামোগত ডেটা অর্থাৎ সুসংহত অর্থবহ এবং প্রক্রিয়াজাত ডেটা। ডেটা প্রক্রিয়া করতে এবং তথ্যে রূপান্তর করতে, একটি কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়।





কম্পিউটার প্রয়োগিক দিকগুলো নিয়ে নিচে আলোচনা করা হলো :


বাড়ি

কম্পিউটারগুলি অনলাইনে বিল পরিশোধের জন্য, ঘরে বসে সিনেমা দেখা বা শো, হোম টিউটারিং, সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাক্সেস, গেমস খেলানো, ইন্টারনেট অ্যাক্সেস ইত্যাদি বিভিন্ন উদ্দেশ্যে বাড়িতে ব্যবহার করা হয় electronic এগুলো বৈদ্যুতিন মেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ সরবরাহ করে। তারা কর্পোরেট কর্মীদের জন্য হোম সুবিধা থেকে কাজ পেতে সহায়তা করে। কম্পিউটারগুলি অনলাইন শিক্ষাগত সহায়তা পেতে ছাত্র সম্প্রদায়ের সহায়তা করে।


চিকিৎসা ক্ষেত্রে


কম্পিউটারগুলি হাসপাতালে রোগীদের ইতিহাস, ডায়াগনোসিস, এক্স-রে, রোগীদের সরাসরি পর্যবেক্ষণ ইত্যাদির একটি ডাটাবেস বজায় রাখতে ব্যবহৃত হয় Sur সার্জনরা আজকাল সূক্ষ্ম অপারেশন করতে রোবোটিক সার্জিক্যাল ডিভাইসগুলি ব্যবহার করে এবং দূরবর্তী অবস্থান থেকে সার্জারি পরিচালনা করে। ভার্চুয়াল রিয়েলিটি প্রযুক্তিগুলি প্রশিক্ষণের উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয়। এটি মাতৃ গর্ভের ভিতরে থাকা ভ্রূণকে নিরীক্ষণ করতে সহায়তা করে।

           

  হার্ডওয়্যার; কম্পিউটার এর যে সকল যন্ত্রপাতি সমূহ সকল ধরনের কাজ করে থাকে সেগুলোই হার্ডওয়্যার। যেমন মনিটর, সিপিইউ, র‍্যাম, রম, মাদারবোর্ড, প্রসেসর, মাউস, কিবোর্ড, স্পিকার, হেডসেট, প্রিন্টার, স্ক্যানার, মাইক্রোফোন, ওয়েবক্যাম, গ্রাফিক্সকার্ড ইত্যাদি।


২ সফটওয়্যার ;

কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের কাজ করার জন্য যে সকল ফাংশন ব্যাবহার করা হয় সেগুলোই হল সফটওয়্যার। যেমন মাইক্রোসফট অফিস এর ওয়ার্ড,  এক্সেল, পাওয়ারপয়েন্ট, এডোবি ফটোশপ, ইলাস্ট্রেটর ইত্যাদি।


মাদারবোর্ডঃ 

কম্পিউটারের  অন্যতম  প্রধান অংশ হল মাদারবোর্ড। এটি হল কম্পিউটারের অন্যান্য সকল হার্ডওয়্যার কে সংযোগকারী। এতে সংযোক্তথাকে প্রসেসর, র‍্যাম, রম ( হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ/ সলিড স্টেট ড্রাইভ), বিভিন্ন  পোর্টসমূহ, ইউএসবি  ইত্যাদি সংযোগ থাকে।  আসুস, গিগাবাইট বিভিন্ন কোম্পানির মাদারবোর্ড বাজারে পাওয়া যায় । 


প্রসেসর: 

প্রসেসর হল কম্পিউটারের সকল প্রক্রিয়াকরনকারী অংশ যা আমাদেরকে সকল কাজসমূহ করে দেয় | একটি প্রসেসরে লক্ষ লক্ষ চিপ থাকে |  ইন্টেল, এএমডি, রাইজেনসহ অনেক কোম্পানীর প্রসেসর পাওয়া জায় | 


হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ:

হার্ডডিস্কড্রাইভ বা  এইচ ডি ডি হল  কম্পিউটার এর মেমরি যা কম্পিউটারের  সকল তথ্যাসমূহ রিড রাইট করে থাকে | এইখানেই সকল তথ্যাসমূহ জমা থাকে | 250 জিবী থেকে 1 টেরাবাইট হার্ডডিস্ক দিয়ে যে কোন কাজ সহযেই করা জায় |  

 

এস এস ডি : 

এস এস ডি হল সলিড স্টেট ড্রাইভ | এর ডেটা রিড রাইট ক্ষমতা অনেক বেশী | এর মাধ্যামে  কম্পিউটারের কাজের গতি অনেক বেড়ে যায় | হার্ডডিস্ক ড্রাইভ এর পরিবর্তে এস এস ডি কার্ড ব্যাবহার করলে কম্পিউটার অনেক দ্রুত কাজ করে | কিন্তু হার্ডডিস্ক ড্রাইভ এর তোলনায় এস এস ডি কার্ড এর দাম অনেক বেশী হয় | অধিক পরিমানে ব্রাউজিং করলে এস এস ডি কার্ড ব্যাবহার করতে পারেন |


গ্রাফিক্সকার্ড:

ভালমানের গেমিং করার জন্যা গ্রাফিক্সকার্ড প্রয়োজন হয় | বিভিন্যা রকম ভালমানের ডিজাইন করার জন্য গ্রাফিক্সকার্ডের প্রয়োজন |  


সফটওয়্যার:

কম্পিউটারে সকল কাজসমূহ আমরা সফটওয়্যার দিয়ে করে থাকি |  অফিসিয়াল কাজ করার জন্য মাইক্রোসফট  অফিস, এক্সেল, পাওয়ারপয়েন্ট এর গুরুত অনেক |  ছাত্রছাত্রীদের বিশুদ্ধভাবে ইংরেজী লেখার জন্য ভাল একটা  এপস হল গ্রামারলি | এটির মাধ্যামে সহজেই ইংরেজী লিখতে পারবেন | গ্রাফিক্স ডিজাইন করার জন্য এডোবি ফটোশপ,  এডোবি ইলাস্ট্রেটর অনেক জনপ্রিয় | ওয়েব ডিজাইন এন্ড ডেভলাপমেন্ট শিখার জন্য নোটপ্যাড++, সাবলাইম টেক্সট, ড্রিমওয়েভার, ভিএস কোড সবচেয়ে জনপ্রিয় | ওয়েব ডিজাইন শিখার জন্য এ কোড এডিটরগুলো ব্যবহার করা হয় | এছাড়া ওয়েবডিজাইন শিখার জন্য এইচ টি এম এল,  সি এস এস,  জাভাস্ক্রিপ্ট,  পি এইচ পি,  ওয়ার্ডপ্রেস শিখলে যে কেউ ওয়েব ডিজাইনার ও ডেভলাপার হিসেবে ক্যারিয়ার গড়তে পারবেন 

 এ ছাড়াও পাইথন,  জাভা, পার্ল, সি, সি++ প্রেগামিং ল্যাংগুয়েজ শিখে একজন সফটওয়্যার ডেভলাপার হিসেবে ক্যারিয়ার গড়া যায় | ��যে কোন কিছু আপনি সহজেই শিখতে পারবেন, এজন্য সবচেয়ে বেশী কাজে দিবে গুগল |

 

নিজে নিজে কি শিখতে পারব?



 এই প্রশ্নের উত্তরে এককথায় বলব    অবশ্যই     পারবেন | তবে আপনাকে হতে হবে অনেক কৌশলি | সবচেয়ে বেশী    সাহায্য   নিতে পারেন ইউটিউব থেকে,  এছাড়াও গুগলে সার্চ দিবেন | যেটাই না বুঝবেন সেটাই গুগল বস থেকে জেনে নিবেন | বেশী বেশী করে অনলাইনে পড়ার অভ্যাস করবেন | আমি মোবাইলে প্রচূর পিডিএফ বই পড়তাম সে থেকে মোবাইলে পড়ার অভ্যাস হয়ে গেছে | আপনি যখন নিজে নিজে কোন কিছু শিখতে যাবেন তখন আপনার কোন শিক্ষক থাকবেনা, তাই আপনি নিজেই নিজের শিক্ষক হয়ে যাবেন | আপনার অনেক  বেশী ধৈর্য ধরতে হবে | ভাল করে চিন্তা করে গভীরভাবে  বুঝতে হবে | আর কোনকিছু শুধু পরলেই হবেনা বরং গভীরভাবে চিন্তা করে ভাল করে বুঝার চেষ্টা করতে হবে | ওয়েব ডিজাইন ও ডেভলাপমেন্ট শিখার জন্য ডব্লিও থ্রী স্কুল সবচেয়ে বেস্ট | এছাড়াও রয়েছে কোর্সেরা,  সলো লার্ন,  গিটহাব, ফ্রী কোড ক্যাম্প  ফ্রী কোর্স রয়েছে এবং ইউডেমি এর পেইড কোর্স পাবেন | এসকল ওয়েবসাইটে আপনি এনরোল করে কোর্স কমপ্লিট করে সার্টিফিকেট পেতে পারেন | ইউটিউব ভিডিও দেখে একটা প্র‍্যাকটিক্যাল নলেজ পেয়ে যাবেন | আর্টিক্যাল পড়ার সময় সবকিছু  বুঝে পড়ার চেষ্টা করবেন।কোনকিছু না বুঝা মাত্রই গুগল করে দেখে নিবেন।আর প্রতিদিন আপনাকে প্র‍্যাকটিস করতে হবে। একদিন ১০ ঘন্টা দেখলাম আর ১৫ দিন কোন খোজ খবর নাই এমন হলে চলবেনা। নিয়মিত ৪-৬ ঘন্টা লেগে থাকবেন। খুটিনাটি বিষয়গুলাকে জেনে নিবেন।  শুধু ভিডিও দেখলেই হবেনা একটু পজ দিয়ে প্র‍্যাকটিস করে নিবেন।  আর সম্পুর্ন কপি করে কাজ না করে একটু নিজ থেকেও কাজ করবেন। এতে করে আপনার ক্রিয়েটিভিটি বাড়বে।  বেশি করে প্র‍্যাকটিস করলে আপনার কাজের দক্ষতা অনেক বাড়বে। মনে করুন আপনি কোডিং শিখতেছেন তাহলে অন্যের করা কোডগুলো বেশি করে দেখবেন। নিজে নিজে প্রজেক্ট বানাবেন। গিটহাব থেকে কোড থেকে প্র‍্যাক্টিস করতে পারেন। আপনার কম্পিউটার না থাকলেও মোবাইল দিয়ে শুরু করতে পারেন। মোবাইলে এইচ টি এম এল, সি এস এস ও সামান্য জাভাস্ক্রীপ্ট প্র‍্যাক্টিস করতে পারবেন এন রাইটার ফ্রী এপসটি ডাউনলোড করে।  কোডিং সি এপস দিয়ে সি প্রোগ্রামিং প্র‍্যাক্টিস করতে পারবেন। এই দুইটা এপস ইন্টারমেডিয়েট এর ছাত্র ছাত্রিদের আইসিটি বইয়ের এইচ টি এম এল ও সি প্রোগ্রামিং করতে সাহায্য করবে। যারা দশম শ্রেনীর নিচে পরেন কিন্তু প্রোগ্রামিং শিখতে চান তারা পাইথন প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ করতে পারেন, এটা একটা বিগিনার ফ্রেন্ডলি প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ। 


আর যাদের ডেস্কটপ বা ল্যাপটপ কিনার বাজেট নাই তারা রাস্পবেরি পাই কিনে বাসাতে একটা ছোট কম্পিউটার বানিয়ে নিতে ৫০০+ বাজেট হলেও হবে। এতে আপনি সকল কাজগুলাই করে নিতে পারবেন সহজেই।এটা ছাত্র ছাত্রিদের জন্য অনেক বেশি ভাল হবে যাদের বেশি বাজেট নাই। ক্লাসের এসাইনমেন্ট   থেকে শুরু করে সবকিছুই করতে পারবেন অনেক সহজেই।  আর শিখার জন্য সবকিছুই আছে আপনাকে খুজে খুজে সব কিছু সংগ্রহ করতে হবে। প্রোগ্রামিং শিখার জন্য অনেক অনেক বই রয়েছে। জাভাস্ক্রিপ্ট শিখার জন্য পরতে পারেন জুনায়েদ আহমেদ এর বইটি। তামিম শাহরিয়ার সুবিন ও ঝংকার মাহবুব এর অনেক বই আছে শিখার জন্য। তাই যত তাড়াতাড়ি পারেন শুরু করে দিতে পারেন। কোডিং শিখে ওয়েব ডিজাইনার ও ডেভলাপার,  এপ্লিকেশন ডেভলাপার হিসেবে ক্যারিয়ার গড়তে পারেন। প্রোগ্রামারদের চাহিদা সবসময় থাকবেই। তাই ভাল ক্যারিয়ার গড়ার জন্যা চোখ বন্ধ করে শিখে নিতে পারেন। আর দক্ষ একজন প্রোগ্রামার হতে পারলেত  অনেক  অনেক বেশি আয় করতে পারবেনই। আপনি বিভিন্যা আইটি ফার্মে জব করতে পারবেন। তাছাড়া ফ্রিলান্সিং করার জন্য ফাইভার,ফ্রিল্যান্সার,  পিপল পার আওয়ার, গুরু সহ হাজার হাজার মার্কেটপ্লেসে কাজ করতে পারবেন। তাই আগে নিজেকে দক্ষ হিসেবে তৈরী করতে হবে। ভাল কাজ পারলে আপনাকে কাজ পাওয়া নিয়ে বেশী চিন্তা করতে হবেনা। তাই আগে ভাল করে শিখার জন্য গুরুত্ব দিন। আর কম্পিউটারে কাজ করার জন্য বা কাজ শিখার জন্য ইংরেজী শিখার বিকল্প নেই। মার্কেটপ্লেসে কাজ করার জন্য ইংরেজি ভাষাতে যোগাযোগ করতে হয়। তাই নিয়মিত ইংরেজী শিখা শুরু করে দিন। একেবারেই না বুঝলে গুগল ট্রান্সলেটর ব্যবহার করতে পারেন।তবে ইংরেজী শিখে ফেলতে পারলে সবথেকে ভাল হবে।


অতিরিক্ত চুল উঠার কারণ ও তার প্রতিকার ??

 চুল পড়া বর্তমান সময়ের জন্য একটি বড় সমস্যা। আমরা সবাইই মাথা ভর্তি চুল চাই।কখনো কখনো চুল পড়া আমাদের মাথাব্যাথার প্রধান কারন হয়ে দাড়ায়। কে না চায় তার লম্বা ও ঘন চুল থাকুক। চুল মানুষের সূন্দর্যকে বহুগুনে বাড়িয়ে দেয়। অনেকে চুল পড়া থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য চুল কে ছোট করে ফেলেন, তাড়পরেও চুল পড়ে। কিন্তু সবার বড় ও সাস্থবান চুলের সৌভাগ্য হয়ে উঠেনা। বংশগত কারনেই হোক কিংবা হরমোনাল কারণেই হোক বা শারীরিক কোন সমস্যার কারনে আমাদের মাথার কিছু অংশ অথবা মথার পুরুটা থেকে দ্রুত চুল পড়তে থাকে। স্বাভাবিক নিয়মেই প্রতিদিন কিছু না কিছু চুল ঝরে পড়বেই কিন্তু পরিমানটা যদি বেশি হয় তবে চিন্তার কারন হয়ে দাড়ায়। অনেকের গোঁড়া থেকে চুল উঠে আসএ আবার চুলে ভেঙ্গেও যেতে পারে।

একজন সুস্থ মানুষের মাথায় গড়ে এক থেকে দেড় লাখ চুল থাকে। প্রতিদিন ১০০ থেকে ১৫০টা পর্যন্ত চুল পড়াটা খুব স্বাভাবিক। কিন্তু এর চেয়ে বেশি পড়লে তা অবশ্যই চিন্তার কারণ। বালিশ, তোয়ালে বা চিরুনিতে থাকা চুলগুলোকে গুনে দেখুন কি পরিমানে চুল পড়ে। কমপক্ষে পরপর তিন দিন এভাবে দেখুন কি পরিমানে চুল উঠে। অথবা সামান্য কিছু চুল সামান্য টান দিয়ে দেখুন। যদি হাতে নেওয়া চুলের চার ভাগের এক ভাগ বা তার বেশি চুলই উঠে যায়, তবে তা চিন্তার কারন।

এজন্য আমাদেরকে কে যত দ্রুত সম্ভব প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।




চুল পড়ার কারনসমূহ;

সাধারণত এন্ড্রোজেনিক কারণে ছেলে এবং মেয়ে সকলেরই চুল পড়েতে দেখা যায়। অ্যান্ড্রোজেনিক হরমোনগুলো হল টেস্টোস্টেরন, অ্যান্ড্রোস্ট্রেনডিয়ন, ডিএইচটি হরমোন। এসকল হরমোনসমূহ সাধারণত মেয়েদের তুলনায় ছেলেদের দেহে অধিক পরিমানে থআকে।এসকল হরমোন হেয়ার ফলিকলে কাজ করার জন্য চুল পড়া অধিক বেড়ে যায়।

এছাড়া চুল পড়া বংশগতভাবেও হতে পারে। অনেক পরিবারের মধ্যে এই কারনে চুল পড়ার সমস্যা দেখা যায়। চুল পড়া কোন রোগ নয়। 

অনেক সময় দেখা যায় যে কিছু ঔষধের পার্শপ্রতিক্রিয়ায় চুল পড়ে যায়। যেমন ক্যান্সারের চিকিৎসার জন্য কেমোথেরাপি সাময়িক ভাবে চুল বেশি পড়ে থাকে।ঔষধ নেয়া বন্ধ করলে তা নিজ থেকেই চুল পড়া বন্ধ হয়ে যায়।

আবার খাবারে পুষ্টির অভাবে চুল পড়া বেড়ে যায়। খাবারে প্রয়োজনীয় পরিমানে প্রোটিনের, মিনারেলস এবং ভিটামিন না থাকলে চুল পড়া বৃদ্ধি করে। অনেক ক্ষেত্রে মহিলাদের গর্ভাবস্থায়, সন্তান প্রসবের পর কিছু হরমোনের কারণে অথবা মাসিকের কারনে চুল পাতলা হয়ে যেতে পারে।

একেক জনের ক্ষেত্রে একেক রকম সমস্যা দেখা যায়। কারো মাথার থেকে চুল উঠে পাতলা হয়ে যায়। আবার কারো ক্ষেত্রে নতুন চুল গজায় না।

এই চুল পড়া থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য আমদের কে প্রথমে এর কারন খুজে বের করতে হবে। তাড়পর সে সমস্যার সমাধান করতে হবে। তাহলে আশা করা যায় যে চুল পড়া হয়ে যায়।তাছাড়াও সাস্থবান, সুন্দর, ঘন ও লম্বা চুলের জন্য ভাল করে যত্ন নিতে হবে।

এজন্য আমদেরকে নিয়মিত রূপচর্চা করতে হবে । আমদের অবহেলার কারনে অনেক সময় সুন্দর চুলকে হারাতে হয়। নিয়মিত চুলের যত্ন নিলে আমাদের চুলের সুন্দর্য রক্ষা করতে অনেক সহায়ক হবে। চুল পড়া বন্ধ করতে আমাদের কে বাহ্যিক যত্ন নেওয়ার পাশাপাশি খাওয়ার ব্যপারেও অধিক যত্নবান হওয়া উচিত। প্রতিদিন দুধ, ডিম ও কলা খাওয়া বিশেষ করে সকালে খাওয়া চুলের জন্য খুবই উপকারি।

বর্ষা মৌসুমে চুল পড়ার সমস্যা খুব বেশি বেড়ে যায় কারন এ সময় বাতাসে আর্দ্রতা বেশি থাকে। মতাই এ সময় চুলের অধিক যত্নের প্রয়োজন হয়। গোসলের করার পূর্বে শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলতে হবে। এ ছাড়াও নিয়মিত সুষম খাবার গ্রহন না করলে ও হরমোনের ভারসাম্যহীনতার কারনে অধিক চুল পড়ে। হরমোনের ভারসাম্যহীনতার দেখা দিলে যতটা তাড়াতাড়ি সম্ভব ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।


চুল পড়া বন্ধ করতে প্রয়োজনীয় টিপস:

যদি পুস্টি উপাদানের অভাবে চুল পড়ে তবে আপনার খাদ্য গ্রহনের প্রতি যত্নবান হোন। অধিক পরিমানে প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার খান। খাবারের সাথে কিছু ভিটামিন এবং খনিজ লবন গ্রহণ করুন।প্রোটিনে ভরপুর ডায়েট খান

আপনআর খাদ্য তালিকা আপনার চুলের স্বাস্থ্যের উপর গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখে। চুলের eighty five eighty five eighty five, তাই প্রতিদিনের খাবারে পর্যাপ্ত প্রোটিন রাখতেই হবে। চর্বিহীন মাংস, ডিম, দুধ এবং দই আর ছানা রাখতে পারেন আপনার খাদ্য তালিকায়। প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার খেলে আপনার চুলও থাকবে মজবুত, ঘন আর স্বাস্থ্য-ঝলমল।

পরিমিত পরিমাণে আয়রন আর জিঙ্ক চুল গজানোর জন্যে সহায়ক হয় তাই আয়রন, জিংক সমৃদ্ধ মটরশুঁটি, বাদাম, কলিজা, মাংস, দুধকে খাদ্য তালিকায় রাখুন। আর প্রচুর পরিমানে পানি পান করুন।

চুলে নিয়মিত তেল ব্যবহার করতে হবে:

অবশ্যই নিয়মিত মাথায় তেল দিতে হবে। চুলের জন্য সবচেয়ে ভালো হলো নারকেল তেল যা চুলকে মসৃণ করে এবং ব্যাকটেরিয়া ও ফাংগাশের আক্রমন থেকে চুলকে রক্ষা করে । পাশাপাশি ২-৩ দিনের মধ্যে অন্তত একবার চুলকে শ্যাম্পু করার আগে চুলে তেল ম্যাসাজ করতে হবে।

রোজমেরি ল্যাভেন্ডার :

ল্যাভেন্ডার এর তেল চুল পড়া বন্ধ করার পাশাপাশি চুল গজাতেও সহায়তা  করে। এতে থাকা বিভিন্য রাসায়নিক উপাদানসমূহ চুল পড়া বন্ধ করতে  সাহায্য করে থাকে। শুকনো চুলে  শ্যাম্পু ব্যবহার ব্যবহার না করে শ্যাম্পুর সাথে সামান্য পরিমানে পানি মিশিয়ে ব্যবহার করা উচিত।

কন্ডিশনার এর ব্যবহার :

কন্ডিশনার ব্যবহার করলে তা চুল এর গোড়াকে মজবুত করে ও চুলকে মসৃণ করে। তবে অবশ্যই আপনার চুলের ধরন অনুযায়ি কন্ডিশনার বেছে নিলে অধিক সুফল পাওয়া যাবে । বিটরুট নির্যাস, অ্যাকুয়া, প্রো ভিটামিন বি-৫ সমৃদ্ধ কন্ডিশনারগুলো আপনার চুল এর অধিক যত্ন নিতে সহায়ক হবে।

সামান্য কুসুম গরম পানির ব্যবহারঃ

অধিক গরম পানি ব্যভার করলে মাথার তালুর গুরুতর ক্ষতি হয়, তাই সহজে চুল পড়ে ও চুল এর গোরা দুর্বল হয়ে যায়। এজন্য চুলে কুসুম গরম পানি ব্যবহার করা ভাল।

খাবার খাওয়ার সময় করনীয়ঃ

ভাল সাস্থ্যবান চুলের জন্য নিয়মিত সুষম, পুষ্টিকর ও ভিটামিন সমৃদ্ধ খাবার গ্রহন করতে হবে। দুধ, ডিম, ভিটামিন- ই ও সামদ্রিক মাছ চুলের জন্য খুবই উপকারি।

হেয়ারপ্যাক ব্যবহার:

অনেক যত্ন নেওয়ার পরেও যদি চুল পড়া বন্ধ না হলে হেয়ারপ্যাক ব্যাবহার করা যেতে পারে। ঘৃতকুমারী, আমলকী, শিকাকাই, নিমের গুঁড়ো সম্পরিমানে মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে সপ্তাহে একবার চুলে ব্যবহার করতে হবে। ডিম, মেথির গুঁড়ো ও টক দই মিশিয়েও প্যাক তৈরি করা যায় ও সপ্তাহে দুদিন প্যাকটি ব্যবহারে চুলের গোড়া মজবুত হবে। প্যাক ধোয়ার জন্য সামান্য কুসুম গরম পানি ব্যবহার করতে হয়।প্রতি দশ থেকে পনেরো দিনে একবার হেয়ারপ্যাক ব্যবহার করুন। ঘরোয়াভাবে প্যাক তৈরী করে চুলের সুরক্ষায় ব্যবহার করতে পারেন।








হিটারের মাধ্যমে চুল শুকানো থেকে বিরত থাকুন :


গরম বাতাস বা হিট কোনভাবেই চুলে নেওয়া যাবে না। এটি চুলের জন্য মারাত্মক ক্ষতির কারন হয়ে দাড়ায়।

চুলের যত্নে কার্যকরী কিছু হেয়ার কেয়ার টিপস:

চুল সুরক্ষিত রাখুনঃ

সবসময় চুলকে সবসময় সূর্যের কড়া রোদ, বৃষ্টি,তাপ, ধুলোবালি ইত্যাদি থেকে সুরক্ষিত রাখাতে হবে। এসব কারনে চুলের দুর্দশা ডেকে আনে।
ধীরে ধীরে জমাট বাঁধা চুলের গোড়া থেকে শুরু হয় ও ফলস্বরূপ চুল পড়তে শুরু করে। তাই খোলা আকাশের নিচে রোদ, ঝড় ও বৃষ্টিতে চলাচলের সময় ছাতা ব্যবহার করা উচিত। এমনকি হিজাব ব্যবহার করলেও চুলকে সহজেই সুরক্ষিত রাখা সম্ভব।

ভেজা চুলকে যেভাবে যত্ন নিবেনঃ

ভেজা চুল নড়ম হয়ে থাকার জন্য বেশি চাপ দিলে সহজেই চুল ভেঙে যায়। তাই  গোসলের পরে বেশি চাপ দিয়ে কাপড় বাধবেন না। শ্যাম্পু ব্যবহার করার সময় হালকা করে চাপ দিয়ে শ্যাম্পু ব্যবহার করবেন।গোসল করার একদম পরেই  চিরুনি ব্যবহার না করাই ভাল।


সঠিকভাবে শ্যাম্পু করবেন যেভাবেঃ

গোসলের পূর্বে মাথার তালুতে সামান্য তেল লাগিয়ে মাসাজ করতে পারেন ও চুল আঁচড়িয়ে নিবেন।যেন চুল নষ্ট না হয় এবং চুলের জট না বাধে।যদি  চুলে জট বাধে তাহলে জট খোলতে  সর্বদা বড়  দাঁতের চিরুনি ব্যবহার করলে চুলের জন্য ভাল।সপ্তাহে কয়েকবার  চুলে শ্যাম্পু করবেন না কারন চুলে বেশি শ্যাম্পু করলে চুলের প্রাকৃতিক তেল নষ্ট হয়ে চুল শুস্ক হয়ে যায়।চুলে শ্যাম্পু করার আগে চুলকে ভিজিয়ে নিতে হবে।প্রয়োজনীয় শ্যাম্পু বাটিতে নিয়ে তার মধ্যে একটু পানি মিক্স করে পাতলা করে নিলে লাগাতে সুবিধা হবে। আর চুল তাড়াতাড়িও পরিষ্কার হবে।প্রথমে মাথার তালুতে ভালোভাবে লাগাবেন, তারপর চুলের নিচের দিকে খুব বেশি চাপ না দিয়ে আলতো করে লাগাবেন।
বাতাসে বিদ্যমান ধুলাবালি ও বিভিন্য প্রকারের  ময়লা থেকে আপনার  চুলকে  পরিষ্কার করার জন্য আপনার চুলের জন্য উপযোগী  শ্যাম্পু ও কন্ডিশনার ব্যবহার করুন ।
শ্যাম্পু করার পুর্বে তেল দিয়ে মাসাজ করে তাড়পরে শ্যাম্পু করুন। চুলে বেশি ময়লা থাকলে দুইবার শ্যাম্পু করুন।শ্যাম্পু করার পর এক মগ পানিতে লেবু বা চায়ের লিকার দিয়ে চুল ধুয়ে দিলে চুল সিল্কি হবে।
প্রতিসপ্তাহে ৩ থেকে ৪ দিন ভালো শ্যাম্পু দিয়ে চুল পরিষ্কার করুন।

নিয়মিত কন্ডিশনার ব্যবহার করুনঃ

প্রতিদিন গোসল করার পরে অথবা চুল ধোঁয়ার পরে কন্ডিশন ব্যবহার করলে চুল অনেক বেশি মসৃন হয়, ফলে সহজেই চুল ভেংগে পড়তে পারেনা।


কন্ডিশনার ব্যবহার করার সঠিক নিয়মঃ

কন্ডিশনারের কাজই যেহেতু চুলকে মসৃন করা তাই চুলের গোরাতে ব্যবহার করার প্রয়োজন নেই।
তাই কন্ডিশনার ব্যবহার চুলের গোড়া থেকে অন্তত এক ইঞ্চি দূর থেকে চুলের প্রান্ত পর্যন্ত ব্যবহার করা উচিত।চুল ধোয়ার পর ৫/১০ মিনিট চুলে কন্ডিশনার রেখে চুল ভালো করে ধুয়ে নেবেন
তাছাড়া যারা অতিরিক্ত  কন্ডিশনার চুলে ব্যবহার করে থাকেন,  তাদের  চুল অতিরিক্ত  তৈলাক্ত হওয়ার বেশি সম্ভাবনা  অনেক।তাই অতিরিক্ত মাত্রায় কন্ডিশনার ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভাল।
তোয়ালে ব্যবহার করুনঃ
 গোসল করার পড়ে আপনার চুলকে তোয়ালে  দিয়ে বেশি শক্ত করে বাধবেন না। চুলে তোয়ালে দিয়ে বাড়ি দিয়ে পানি ঝরালে চুলের আগা ফেটে যায় এবং ভিজে  অবস্থায় চুল নড়ম হওয়ায় সহযে ভেঙে যায়। ভেজা চুল না আঁচড়ানোই ভাল কারণ তখন চুলের গোঁড়া নরম থাকে।

ঘুমাবেন যেভাবেঃ


রাতে ঘুমানোর আগে চুল আঁচড়িয়ে হালকা করে বেনি করে ঘুমাবেন, তাহলে আর জট পাকাবেনা আপনার চুল। কটনের বালিশ পরিহার করুন ও স্যাটিনের বালিশে ঘুমালে চুল কম ঝরে।

চুলের জন্য কিছু ঘরোয়া পদ্ধতিঃ

নারিকেল তেল + দারুচিনি গুড়া করে মিক্স করে চুলের গোড়ায় মাসাজ করলেবচুল পড়া রোধ হয়ে থাকে।
এক মগ পানি + কিছু পেয়ারা পাতা সিদ্ধ করে ঐ চুল সিদধ করা পানি দিয়ে চুল ধৌত করতে পারেন।

পেয়াজের রস চুলের গোড়ায় ভালো করে লাগিয়ে ৫-১০ মিনিট রাখুন। এরপর ধুয়ে ফেলুন । এভাবে নিয়মিত ব্যবহার করলে নতুন চুল গজাবে এবং চুলে খুসকি থাকলে সেটাও কমে যাবে।
এছাড়াও মধু এবং দারুচিনির গুঁড়া মিশিয়ে চুল কমে যাওয়া জায়গার তালুতে লাগালে নতুল চুল গজায়।
খাবারের সাথে এবং তেলের সাথে চুলে কালোজিরা ব্যাবহার করুন তাহলে চুল পড়া বন্ধ হবে।


একই প্রকারের হেয়ার প্রোডাক্ট ব্যবহার করুনঃ


সবসময় একই কোম্পানির একই ধরনের পণ্য ব্যবহার করলে চুলের জন্য ভাল।তাছাড়াও কোন প্রকারের  পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়াই সহজেই ভালকরে চুলের যত্ন নিতে পারবেন।

অতিরিক্ত হিট দেওয়া থেকে বিরত থাকুনঃ

তাপ  আমাদের মাথার চুলকে ভেঙে যেতে সহায়তা করে আর তাই চুলে হিট দেওয়া থেকে বিরত থাকাই  সবথেকে উত্তম।
অতিরিক্ত হিটের কারণে চুল সহজেই ভেঙে সহায়তা করে এমনকি জ্বলে যেতেও পারে তাই ব্লোয়ার, আয়রন অথবা চুল স্ট্রেটনার সাবধানতার সাথে ব্যভার করা উচিত।



তোয়ালে আলতোভাবে  ব্যবহার করুনঃ

চুলকে মোছার সময় খুব চাপ প্রয়োগ করলে বারবার ঘর্ষণের ফলে চুল গোড়া থেকে ভেঙে যাওয়ার আশংকা থাকে।তাই আলতোভাবে তোয়ালে ব্যবহার করা উচিত।

আঁটসাঁট বেণী বাধা থেকে বিরত থাকুনঃ

ঘুমানোর আগে বেশি শক্ত করে বেণী না করাই উত্তম। এতে করে চুল একসাথে থাকলেও টানটানেনা থাকার ফলে ভেঙে যাওয়ার সুযোগ কমে যায়।


ভালো মানের বালিশের কভার ব্যবহার করুনঃ

কটনের কাপড় রুক্ষ হওয়ার জন্য এতে ঘুমালে চুল ভেঙে যাওয়াটা দৈনন্দিন ঘটনা হয়ে যেতে পারে।
তাই পাতলা কাপড়ের কোমল কভার ব্যবহার করা অধিক যুক্তিযুক্ত।

হট অয়েল মাসাজ করুনঃ

চুলের যথাযথ পুষ্টি যোগাতে অয়েল মাসাজ অধিক গুরুত্বপূর্ণ। তাই কোকোনাট অয়েল ছাড়াও আমলা অয়েল, আমন্ড অয়েল, অলিভ অয়েল, ক্যাস্টর অয়েল ইত্যাদি বাজারে কিনতে পাওয়া যায়।
তাছাড়া আপনি যদি চান তাহলে সবগুলাকে একসাথে  মিক্স করে চুলে দিতে পারেন।

চুলে টিজিং করা পরিহার করুনঃ

যদিও টিজিং করে চুলের আয়তন বৃদ্ধি করা যায় কিন্তু তা চুলের সাস্থের জন্য ভালো নয়। তাই তা পরিহার করাই যথার্থ হবে।


চুল নিয়মিত ব্রাশ করুনঃ

চুল নিয়মিত ব্রাশ করলে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধির মাধ্যমে চুলের বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।
তাই নিয়মিত সময় করে দিনে ২-৩ বার এবং রাতে ঘুমানোর আগে চুল ব্রাশ করুন।


অতিরিক্ত হেয়ার প্রোডাক্ট থেকে দূরে থাকুনঃ

চুলে অতিরিক্ত পরিমানে প্রসাধনী সামগ্রি ব্যবহার করা অনুচিত। তাহলে চুলের  সুন্দর্য  ঠিক থাকবে ও চুল হবে সাস্থবান।
চুল ঝরা ঠেকাতে চাইলে প্রতিদিন স্ট্রেটনার আর কার্লিং আয়রন ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন।এগুলা চুলের স্বাস্থ্যের প্রচণ্ড ক্ষতি করে থাকে। অতিরিক্ত তাপ লাগলে চুল ভঙ্গুর হয়ে যায়, ফলে সহজেই উঠে আসে। তাই এগুলা ব্যবহার থেকে দূরে থাকুন।
অতিরিক্ত আট করে খোঁপা, বিনুনি  না বাঁধা উচিত, বেশি আট করে বাধলে   চুলের গোড়া দুর্বল হয় ও  চুল উঠতে শুরু করে।

তোয়ালে আলতোভাবে  ব্যবহার করুনঃ

চুলকে মোছার সময় খুব চাপ প্রয়োগ করলে বারবার ঘতোয়ালের্ষণের ফলে চুল গোড়া থেকে ভেঙে যাওয়ার আশংকা থাকে।তাই আলতোভাবে তোয়ালে ব্যবহার করা উচিত।


আঁটসাঁট বেণী বাধা থেকে বিরত থাকুনঃ

ঘুমানোর আগে বেশি শক্ত করে বেণী না করাই উত্তম। এতে করে চুল একসাথে থাকলেও টানটানেনা থাকার ফলে ভেঙে যাওয়ার সুযোগ কমে যায়।

ভালো মানের বালিশের কভার ব্যবহার করুনঃ

কটনের কাপড় রুক্ষ হওয়ার জন্য এতে ঘুমালে চুল ভেঙে যাওয়াটা দৈনন্দিন ঘটনা হয়ে যেতে পারে।
তাই পাতলা কাপড়ের কোমল কভার ব্যবহার করা অধিক যুক্তিযুক্ত।

হট অয়েল মাসাজ করুনঃ

চুলের যথাযথ পুষ্টি যোগাতে অয়েল মাসাজ অধিক গুরুত্বপূর্ণ। তাই কোকোনাট অয়েল ছাড়াও আমলা অয়েল, আমন্ড অয়েল, অলিভ অয়েল, ক্যাস্টর অয়েল ইত্যাদি বাজারে কিনতে পাওয়া যায়।
তাছাড়া আপনি যদি চান তাহলে সবগুলাকে একসাথে  মিক্স করে চুলে দিতে পারেন।

চুলে টিজিং করা পরিহার করুনঃ

যদিও টিজিং করে চুলের আয়তন বৃদ্ধি করা যায় কিন্তু তা চুলের সাস্থের জন্য ভালো নয়। তাই তা পরিহার করাই যথার্থ হবে।

চুল নিয়মিত ব্রাশ করুনঃ

চুল নিয়মিত ব্রাশ করলে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধির মাধ্যমে চুলের বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।
তাই নিয়মিত সময় করে দিনে ২-৩ বার এবং রাতে ঘুমানোর আগে চুল ব্রাশ করুন।

অতিরিক্ত হেয়ার প্রোডাক্ট থেকে দূরে থাকুনঃ

চুলে অতিরিক্ত পরিমানে প্রসাধনী সামগ্রি ব্যবহার করা অনুচিত। তাহলে চুলের  সুন্দর্য  ঠিক থাকবে ও চুল হবে সাস্থবান।
চুল ঝরা ঠেকাতে চাইলে প্রতিদিন স্ট্রেটনার আর কার্লিং আয়রন ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন।এগুলা চুলের স্বাস্থ্যের প্রচণ্ড ক্ষতি করে থাকে। অতিরিক্ত তাপ লাগলে চুল ভঙ্গুর হয়ে যায়, ফলে সহজেই উঠে আসে। তাই এগুলা ব্যবহার থেকে দূরে থাকুন।
অতিরিক্ত আট করে খোঁপা, বিনুনি  না বাঁধা উচিত, বেশি আট করে বাধলে   চুলের গোড়া দুর্বল হয় ও  চুল উঠতে শুরু করে।
স্ক্যাল্পেকে নিয়মিত মাসাজ করুন
নিয়মিত স্ক্যাল্পে মাসাজ করলে মাথায় রক্ত সঞ্চালন ভালো হয়, চুল আর স্ক্যাল্পের স্বাস্থ্যও উন্নত হয়, চুলের গোড়া আরও মজবুত হয়ে ওঠে এমনকি চুলের বৃদ্ধিও ভালো হয়।
চুল ওঠার বড় কারন হল মানসিক চাপ। মাথায় মাসাজ করলে মানসিক চাপ কমে , তাতে চুল ওঠার সমস্যাও কমে যায়। এজন্য স্ক্যাল্পের যত্ন নেওয়ার সবচেয়ে ভালো উপায় হল শ্যাম্পু করার পুর্বেই মাথায় হালকা গরম তেল লাগিয়ে মাসাজ করা।তাড়পরে আঙুল দিয়ে চুল খুব আলতোভাবে টানুন।যেন চুলে টানটা অনুভব করবেন অথচ ব্যথা লাগবে না। ধীরে ধীরে ওই অংশের স্ক্যাল্পে মাসাজ করুন। এভাবে পুরো চুল আর স্ক্যাল্প মাসাজ করুন।
বেশি পরিমানে রাসায়নিকযুক্ত শ্যাম্পু ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুনঃ
যে সব শ্যাম্পু বা কন্ডিশনারে সোডিয়াম লরিল সালফেট রয়েছে তা ব্যবহার না করাটাই ভাল। এই সব শ্যাম্পু ও কন্ডিশনার ব্যবহারে চুলের ফলিকলে জ্বালা করতে পারে,ফলিকল ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে, এমনকি পুড়েও যেতে পারে। তাই সালফেটহীন ফরমুলাই আপনার চুলের পক্ষে সবচেয়ে ভালো, বিশেষ করে আপনার যদি চুল ওঠার সমস্যা থাকে। আমাদের পরামর্শ মেনে ট্রেসেমি হেয়ার ফল ডিফেন্স শ্যাম্পু ব্যবহার করুন। এই শ্যাম্পু আপনার চুল মজবুত করে তুলে চুল ওঠা বন্ধ করে। এই শ্যাম্পুতে কেরাটিন প্রোটিন রয়েছে, তাই এই শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুলে চুল আর্দ্রতা পায়, চুলের নমনীয়তাও বৃদ্ধি পায়। ট্রেসেমি হেয়ার ফল ডিফেন্স কন্ডিশনার  চুলে ব্যবহার করলে , এতে আপনার চুল কোমল ও মসৃণ হবে।

মাঝেমাঝে চুল ওঠা কমাতে হলে আপনাকে শুধু মানসিক চাপমুক্ত থাকতে নিয়মিত ব্যয়াম করতে পারলে ভাল হবে। এপিনেফ্রিন, কর্টিসলের এর মতো স্ট্রেস হরমোনগুলা আপনার চুলের ন্যাচারাল বৃদ্ধিকে বাধাগ্রস্থ করতে পারে। তাই চাপমুক্ত থাকতে আপনাকে নিয়মিত ব্যায়ামের মতো ভাল আর কিছু নাই হতে হবে।
দৌড়োনো, জগিং, ধ্যান করার, নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের মধ্যে দিয়ে মানসিক চাপ কমাতে পারেন। যে সকল কাজ আপনার মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করবে, তার সব কিছুই আপনার চুলের পক্ষে ভালো।


চিকিৎসা

চুলে উঠার কিছু চিকিৎসা রয়েছে। এর মাঝে
বেশির ভাগ চিকিৎসায় কিছুটা উন্নতি হলেও সম্পুর্ণ পুর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা সম্ভব নয়। ২-৫ পার্সেন্ট মিনস্কিডিল ব্যবহার করার মাধ্যমে ভাল উপকার পাওয়া যায়। এখন আবার চুল প্রতিস্থাপন করা হয়ে থাকে যা অনেক ব্যয়বহুল।
তাই আগেই চুলের যত্ন নিয়ে চুলকে সাস্থ্যবান ও সুন্দর রাখুন।