যেকোনো ওয়ারলেস মাউস কে রিচার্জেবল বানান

 যেকোনো ওয়ারলেস মাউস কে রিচার্জেবল বানান :


যারা ওয়ারলেস মাউস ব্যবহার করেন তাদের একটা সমস্যায় পড়তে হয় তা হচ্ছে কিছুদিন ব্যবহার করার পরে ওই মাউস এর ব্যাটারি চার্জ শেষ হয়ে যায়।আজকে আমি আলোচনা করব কিভাবে ওয়ারলেস মাউস কে আপনি একবার চার্জ দিয়ে অনেক দিন ব্যবহার করতে পারবেন।



ধরুন আপনি কম্পিউটারে বসে কাজ করতেছেন মাউস দিয়ে কাজ করতে করতে হঠাৎ দেখলেন মাউজের ব্যাটারীতে চার্জ নেই।তখন তো আপনার মেজাজ অনেক খারাপ হয়ে যেতে পারে অথবা কাজের গতি ও ধীর করে দিবে। ওয়ারলেস মাউসের এই অসুবিধা টা প্রায় অনেকেই ভুগে থাকেন। আজকে আলোচনা করব কিভাবে সাধারণ ওয়ারলেস মাউসের যুক্ত করতে পারেন রিচার্জেবল সুবিধা। তাই আজকের পুরো কন্টাক্ট টি আপনার জন্য অনেক হেল্পফুল হবে।


ওয়ারলেস মাউসের রিচার্জেবল ব্যাটারি যোগ করতে প্রয়োজন হবে একটি লিথিয়াম ব্যাটারি। ব্যাটারিটি অবশ্যই মাউসের থেকে আকারে ছোট হতে হবে যেন ওয়ারলেস মাউসের স্থাপন করতে সুবিধা হয়। বিভিন্ন আকারের ও বিভিন্ন ক্যাপাসিটি ব্যাটারি প্রয়োজন হবে ব্যাটারিটি মার্কেটে পাওয়া যাবে। 


তবে ব্যাটারিটি 300 এম এস ক্যাপাসিটি হলে ভালো হবে এই ক্যাপাচিটি ব্যাটারি দিয়ে মোটামুটি কাজ চলে যাবে। ব্যাটারির ব্যবস্থা হয়ে গেলে প্রয়োজন হবে ছোট্ট একটি চার্জিং সিস্টেম। এর জন্য প্রয়োজন হবে ছোট্ট একটি মডিউল। লিথিয়াম ব্যাটারি চার্জ করার জন্য মডিউলটি প্রচুর ব্যবহার করা হয়। মডিউলটি দেখে নিতে হবে ওয়ারলেস মাউসের ফিট হয় কিনা। এরকম ব্যাটারি চালিত বিভিন্ন ডিভাইসে রিচার্জেবল সুবিধা যোগ করতে এটা সহজেই ব্যবহার করা যায়। 


কাজ শুরু করার জন্য মাউসটি খুলতে হবে। মাউসটির বাইরে কোন অংশে স্ক্রু থাকলে তা খুলে নিতে হবে।ওয়ারলেস মাউস সাধারণত স্ক্রু ব্যবহার করা হয় না। মাউসে প্লাস্টিক লক বেশি থাকে। তবে মাউসের স্ক্রু না থাকলে বেশ শক্ত ভাবে পীঠ করা থাকে। মাউস টি খোলার পর দেখতে পাবেন মাউসটর ভেতরের অংশের গঠন। ব্যাটারি এবং চার্জিং মডিউল বসানোর জন্য মাটির কিছু অংশ কেটে নিতে হবে। সঠিকভাবে বসাতে পারলে মাউসটি বাইরে থেকে মোবাইল চার্জার ব্যবহার করে চার্জ করে নেয়া যাবে। মাউসের সৌন্দর্য ঠিক রাখতে হলে যথাসাধ্য সঠিক ভাবে কাটতে হবে। 


চার্জিং মডিউলের সাথে ব্যাটারিটি সোল্ডারিং করে নিতে হবে। একইভাবে আউটপুট কানেক্টরটি ও সোল্ডারিং করে নিতে হবে। এখন চার্জিং সিস্টেম এর পুরো সেট আপ টি রেডী হয়ে গেল। এই সিস্টেমে খুব সহজেই ব্যাটারীতে চার্জ দেয়া যাবে মোবাইল চার্জার দিয়ে। এখানে যে আউটপুট কানেক্টরটি রয়েছে এটা যাবে মাউসের সার্কিটে। এর মাধ্যমেই এখন মাউসটি চলবে রিচার্জেবল ব্যাটারির মাধ্যমে।বিভিন্ন রিচার্জেবল ডিভাইসে এরকম ব্যাটারি থাকে নষ্ট কোন ডিভাইসের ব্যাটারি ভালো থাকলে তা ব্যবহার করা যাবে।


ব্যাটারিটি সংগ্রহে না থাকলে কিনতে পাবেন ইলেকট্রনিক্স মার্কেট থেকে। আর চাইলে অনলাইনে কিনতে পারবেন। চার্জিং মডিউলটি শক্তভাবে বসে রাখার জন্য ব্যবহার করতে হবে বোথ সাইড টেপ। এবার মডিউলটি এবং ব্যাটারিটি আপনার মাউসে ফিট করে নিন। ওয়ারলেস মাউস অন অফ করার জন্য কোন ওষুধ ব্যবহার করা হয় না। কিছুক্ষণ ব্যবহার না করলে সুইচ মুডে চলে যায়।


আমরা চেষ্টা করলাম কিভাবে ওয়ারলেস মাউসের রিচার্জেবল সুবিধা যোগ করা যায়। এরপর চার্জার কানেক্ট করে দেখতে হবে ঠিকমতো চার্জ হয় কিনা। লাল এলইডি চললে বুঝতে হবে চার্জ হচ্ছে। এরপরে টেস্ট করতে হবে কম্পিউটারের সাথে ঠিকভাবে কাজ করে কিনা।


What is Digital Marketing?

 What is Digital Marketing?


Digital Marketing is known as online marketing. It is the application of social networks and the Internet with the plan of improving the marketing of a service or product. It is vital to note that digital marketing is a balance to traditional marketing, not an alternate. The idea of digital marketing emerged in the mid-nineties, with the appearance of the first electronic stores. Social Media Marketing, also familiar marketing in Social Networks, is an element of Digital Marketing although it is an idea that emerged several years later.Importance of Digital Marketing Measurement: It can be measured much more simply than traditional marketing strategies when a digital marketing policy is carried out.




Brand visibility: if a corporation is not on the Internet, it does not exist since it has been proven that most people look for the Internet before buying a service or product in the physical or digital world.




Customer acquisition and loyalty: digital marketing lets you to draw and magnetize possible customers and keep current customers. Amplify in sales: digital marketing allows increasing appreciably the sales of the company as the probable customers of most organizations are in the digital world.




Make community: digital marketing and particularly social media marketing allows you to make a community that interacts with the brand, creating an emotional link between it and its customers. Channel with great reach: digital marketing utilizes the Internet and social networks as a channel, which allows achieving an immense, hurtle on arrive at and positioning of brands. Experimentation: digital marketing lets you check tactics and adjust strategies in real-time to optimize results.


Low cost: digital marketing strategies are lower in cost than most customary marketing strategies, making them available to little and medium-sized businesses. It is significant to note that new consumers expect personalized treatment from companies. Major Digital Marketing strategies The website The website is the basic pillar of digital marketing. It is the position where the company presents and sells its products and services.




expert website so that it generates enough trust so that possible clients are encouraged to have a business relationship with the company. Search engine optimization (SEO) The positioning in search engines called SEO (Search Engine Optimization), aims that when a name searches Google or an additional search engine for a product or service that the company sells, the website is in the primary search results. 




The business blog All companies should have a blog because it allows attracting the viewers of interest to the organization through helpful articles. The blog is the center of the content marketing plan and allows companies to make new content that has higher search engine rankings.Social media Companies need to have a expert presence on the main social networks (Pinterest, YouTube, Facebook, Instagram, LinkedIn, Twitter, etc.) whose major purpose is not to sell products and services but to generate an area of users with an emotional link to the brand. 

অ্যান্ড্রয়েড বেস্ট অ্যাপস রিভিউ

 

অ্যানড্রয়েড বেস্ট এপসসমূহের রিভিও ।

 
টেলিগ্রাম:  এই অ্যাপসটি ব্যবহার করে গোপনীয়তার সাথে মেসেজিং, অডিও কল , ভিডিও কল, ফাইল শেয়ার  করা যায়। গোপনীয়তা রক্ষার জন্য এটি ব্যবহার করতে পারেন।    এর মাধ্যমে সর্বোচ্চ 2 জিবি পর্যন্ত যেকোনো ফাইল আদান প্রদান করা যায়। নাম্বার ছাড়াও ইউজারনেম এর সাহায্যে যেকোনো ব্যবহারকারীকে সহজে খুঁজে নেওয়া যায় ।প্রতিটা ম্যাসেজের গ্রুপে সর্বোচ্চ 2 লক্ষ পর্যন্ত মেম্বার অ্যাড করা যায় ।বিভিন্ন চ্যানেলে থেকে আপনি বিভিন্ন ধরনের পিডিএফ বই ডাউনলোড করতে পারবেন।যে কোন চ্যানেল তৈরি করে 15 জিবি পর্যন্ত ফাইল যেমন ভিডিও, অডিও ,পিডিএফ রাখা যায়।এটি পৃথিবীর সবচেয়ে দ্রুততম মেসেজিং অ্যাপ যাতে peer-to-peer এর মাধ্যমে এনক্রিপটেড ভাবে তথ্য আদান-প্রদান হয়।
 

 গ্রামারলি:

 ইংরেজি লেখার জন্য এর থেকে ভালো কোন বিকল্প আমি এখনো পর্যন্ত দেখে নাই ।আমার দেখা এটাই সবচেয়ে ভালো ইংরেজি লেখার কীবোর্ড। এতে আপনি বিশুদ্ধভাবে ইংরেজি লিখতে পারবেন। তাই ইংরেজি লেখার জন্য এই অ্যাপসের কোনো জুড়ি নেই । তাই বিশুদ্ধভাবে ইংরেজি লেখার জন্য এখনই অ্যাপসটি ডাউনলোড করতে পারেন। এর মাধ্যমে যে কোনো ভুলনির্ণয় করার পর যথাযথভাবে সংশোধন করে সঠিক ভাবে লিখতে পারবেন। ফলে আপনার লেখা হবে সম্পূর্ণ ত্রুটিমুক্ত এবং বিশুদ্ধ। এর মাধ্যমে আপনি যেকোন প্রকার রিজ্যুমি, মেইল, অ্যাপ্লিকেশন, প্যারাগ্রাফ, আর্টিকেল লিখতে পারবেন। এটি একটি পেইড অ্যাপস।

   ‌ 
 হোয়াটসঅ্যাপ 

এই অ্যাপ সম্পর্কে আপনারা সকলেই জানেন। পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত মেসেজিং অ্যাপ। এটির রয়েছে বিলিয়ন এর অধিক ব্যবহারকারী । এবং এতে কোন বিজ্ঞাপন দেয়া হয় না। এর সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো এটি সম্পূর্ণ   এনক্রিপটেড। যে কারণে দুজন ব্যক্তির মধ্যে কথোপকথন ,ভিডিও চ্যাটিং এর সময় তৃতীয় কোন ব্যক্তি  জানেনা । 2014 সালে ফেসবুক হোয়াটসঅ্যাপ কে কিনে নেয়। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের সাথে বলতে হচ্ছে যে এর প্রাইভেসি পলিসি কয়েকদিনের মধ্যেই পরিবর্তন করার কথা শোনা যাচ্ছে। যা আমাদের সকল ব্যবহারকারীর জন্য দুঃখজনক এবং যদি এর প্রাইভেসি পলিসি পরিবর্তন করা হয় তখন আর ব্যবহারের জন্য এনক্রিপটেড থাকবে না।তখন ব্যবহার করা যেতে পারে টেলিগ্রাম, সিগন্যাল এর মত অ্যাপস সমূহকে।
 

 ফেসবুক

 ফেসবুক একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ  সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম । ফেসবুক আপনারা সকলেই ব্যবহার করে থাকেন।তাই এটি নিয়ে নতুন কিছু বলার নেই। সবচেয়ে বেশি মানুষ এই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে ব্যবহার করে থাকেন।আমরা সাধারণত একে বিনোদনের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করে থাকি। কিন্তু একটু কৌশলী হলে,আমরা এর থেকে সহজে অনেক বেশি উপকৃত হতে পারি। এর মাধ্যমে সকল নিউজ আপডেট পেতে পারি। সংবাদপত্র, সাম্প্রতিক আর্টিকেল, ব্যবসা-বাণিজ্য ,আইটি ,বিজ্ঞান সহ সকল ধরনের গ্রুপ এই ফেসবুকে পাওয়া যায়। এর মাধ্যমে আপনি একটি পেজ খুলে ব্যবসা শুরু করতে পারেন।যেমন আমি এর মাধ্যমে কয়টা টিউশনি পেয়েছিলাম। যা আমার ভার্সিটির খরচ চালাতে অনেক সহায়তা করেছিল।


 লিংকডইন 

লিংকডইন কে সকল প্রফেশনালদের আড্ডাখানা বলা যায় । এই যোগাযোগ মাধ্যম এর সাহায্যে সকল ধরনের পেশার লোকদেরকে সহজে পাওয়া যায় । তাই   আপনার পেশার লোকদের থেকে যেকোন সাহায্য সহযোগিতার মাধ্যমে আপনারা সহজেই যে কোন ব্যাপারে সাহায্য পেতে পারেন।

  
 সিগন্যাল

 সিগন্যাল অধিক ব্যবহৃত একটি মেসেজিং অ্যাপস। এটি এনক্রিপটেড তাই নিরাপদে এটি ব্যবহার করতে পারেন । এটি কোন প্রকার তথ্য সংগ্রহ করে না। বর্তমানে এটি পরস্পরের মধ্যে তথ্য   আদান-প্রদানের জন্য হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাপ এর সেরা বিকল্প হতে পারে ।এবং সকলে  whatsapp-এর প্রাইভেসি পরিবর্তন হওয়ার কথা শোনার কারণে সে দিকে ঝুকে যাচ্ছে।

 
 ভাইবার

 ভাইভার একটি জনপ্রিয়   ইন্সট্যান্ট মেসেজিং অ্যাপ।এর সাহায্যে এনক্রিপটেড ম্যাসেজিং ,অডিও, ভিডিও চ্যাট করা যায়।

 
 গুগোল নোটস  

 মোবাইলে যে কোন প্রকার নোট লেখার জন্য সবচেয়ে ভালো অ্যাপস। তাই আপনার যে কোন প্রকার নোট লেখার জন্য এটি ব্যবহার করতে পারেন। এবং এটি খুবই সহজ ব্যবহারের জন্য  ও খুবই আকর্ষনীয় । সহজেই যে কোন প্রকার নোট তৈরি করা যায় । আপনার  মোবাইল যদিও বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়, অথবা হারিয়ে যায় তাও আপনি গুগোল অ্যাকাউন্ট থেকে সকল নোট সমূহ ব্যাকআপ করে নিতে পারবেন।

কোরা

কোরা অত্যন্ত উপকারী একটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম। যা পরস্পরের মধ্যে জ্ঞান ভাগাভাগি করার একটি  চমৎকার প্ল্যাটফর্ম উপহার দিয়েছে। এর মাধ্যমে আপনি যে বিষয়ে জানতে আগ্রহী , সেই বিষয়ে  প্রশ্ন করে জানা আছে এমন কোন ব্যক্তির থেকে আপনার প্রয়োজনীয় উত্তরটি জেনে নিতে পারবেন।এটি কিছুদিন ব্যবহার করলে আপনি নিজেকে অনেক বেশি সমৃদ্ধ করে নিতে পারবেন।যদি কেউ ফেসবুক বা অন্য কোন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিজের মূল্যবান সময় নষ্ট না করে কিছু শিখতে চান তাহলে অবশ্যই এটি ব্যবহার করে দেখতে পারেন।

 জি বোর্ড 

 ইংরেজি, বাংলা সহ যেকোন ভাষা ভয়েস এর সাহায্যে টাইপিং করার জন্য জিবোর্ড অনেক উপকারী একটি অ্যাপস। এটির মাধ্যমে আপনারা সহজেই যেকোনো লেখা  এর মাধ্যমে লিখতে পারবেন। এটি খুব ফাস্ট কাজ করে, অনেক নির্ভুলভাবে আপনার ভয়েস টাইপ করে দেয় । তাই এটি আমার অনেক পছন্দের। সেটিংসে গিয়ে বাংলা ভাষা নির্বাচন করে দিবেন। ডাটা চালু করে ব্যবহার করতে পারেন মুখে কথা বলেই। 

 
 এন রাইটার ফ্রী 

এইচ টি এম এল , সি এস এস , জাভাস্ক্রিপ্ট মোবাইলে  প্র্যাকটিস করার জন্য আমার মতে এটাই সবচেয়ে ভালো অ্যাপস।এন্  রাইটার ফ্রী অ্যাপ এর মাধ্যমে আপনি মোবাইলে শিখতে পারবেন ওয়েব ডিজাইন।সুন্দর সুন্দর ডিজাইন করতে পারবেন ওয়েবসাইটের।তাই ওয়েবডিজাইনে হাতে খড়ি হোক মোবাইলের মাধ্যমে এন্  রাইটার ফ্রী  অ্যাপস দিয়ে।
 

 ভিপিএন

 অনেক সময় আমাদের প্রয়োজনীয় সাইট সমূহ ব্লক করে রাখার কারণে ভিজিট করতে পারিনা।
 তাই ব্লক করা সাইট ব্রাউজ করার জন্য ও নিরাপত্তার জন্য আমাদেরকে ভিপিএন ব্যবহার  করা আবশ্যক হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে যখন আমরা বেশি পরিমাণে ব্রাউজিং করে থাকি। কারণ ভিপিএন ব্যবহার না করলে এক  ক্লিকেই আমার আইপি এড্রেস পেয়ে যেতে পারে। যে কেউ আমার লোকেশন এর তথ্য বের করে ফেলতে  পারে । তাই নিরাপদ ব্রাউজিং করার জন্য এবং গোপনীয়তার সাথে যে কোন কাজ করার জন্য প্রয়োজন  ভালো মানের ভিপিএন তবে ফ্রি ভিপিএন গুলো ভালো নয়। অধিকাংশ ফ্রি ভিপিএন এর  বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে যে তারা সকল ব্যবহারকারীদের তথ্য সমূহ চুরি করে থাকে ।তাই  ভালো পেইড  ভিপিএন ব্যবহার করা উচিত ।এর মধ্যে কিছু ভালো ভিপিএন হচ্ছে নর্ড ভিপিএন, এক্সপ্রেস ভিপিএন।

গুগল আর্থ 

এই অ্যাপস এর মাধ্যমে আপনি সরাসরি যেকোনো জায়গায় সরাসরি স্যাটেলাইট  মানচিত্র দেখতে পারবেন।কোন অপরিচিত জায়গায় যখন যাবেন   তখন এটি বেশ কাজে দেবে।


 ইওর আওয়ার

 আপনি কি মোবাইলে অনেক বেশী সময় নষ্ট করেন! কিন্তু এ সমস্যা থেকে বের হতে চান? এই অ্যাপটি  ব্যবহার করে কোন অ্যাপস কতক্ষণ সময় ব্যবহার করেছেন সকল বিষয়ে  জানতে পারবেন।

 গুগোল লেন্স 

 গুগোল লেন্স খুবই উপকারী একটি অ্যাপস এটির মাধ্যমে ক্যামেরার সাহায্যে যেকোনো কিছু গুগলে সার্চ করা যায় যেমন আপনার কাছের যে কোন কিছু নাম যখন জানেন না তখন ঔ বস্তুটিকে আপনার ক্যামেরার সামনে ধরে সার্চ করলেই ওই সম্পর্কিত সকল ফলাফল গুগল থেকে প্রদর্শন করবে এছাড়াও আপনি এর মাধ্যমে ক্যামেরা তে যে কোন লিখিত কিছু ধরলে তার লিখা সমূহ  এর টেক্সট কপি করতে পারবেন। মেমোরি থেকে  যেকোনো ইমেজ নিয়ে ও এই কাজগুলো করতে পারবেন।
 

 গুগল ট্রান্সলেট 

 গুগল ট্রান্সলেট এর মাধ্যমে মুহূর্তের মধ্যেই যে কোন ভাষা থেকে আপনার প্রয়োজনীয় ভাষাতে  রূপান্তর করে নিতে পারেন । যারা বিদেশে ঘুরতে  গিয়েছেন কিন্তু তাদের ভাষা জানেন না তাদের জন্য এটি খুব কাজে দেয়।

 রোয়ার মিডিয়া 

 বিভিন্ন বিষয়ে জানার জন্য এতে রয়েছে আকর্ষণীয় সকল আর্টিকেল সমূহ।আপনার জ্ঞান কে বাংলা ভাষায় সমৃদ্ধ করার জন্য ব্যবহার করতে পারেন রোয়ার মিডিয়া।

 
 জুডো পিডিএফ রিডার 

 এটি খুবই ভালো মানের একটি পিডিএফ রিডার ।‍‍‍‌
 

 গুগোল নিউজ 

 আপনি কি  সকল মিডিয়ার সকল গুরুত্বপূর্ণ সংবাদসমূহ একত্রে পড়তে চান? তাহলে ব্যবহার করতে পারেন গুগোল নিউজ অ্যাপসটি ।এতে সকল ধরনের গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ সমুহ পেয়ে যাবেন , তাই আপনার কোন সময় নষ্ট হবে না বিভিন্ন বাজে  সংবাদ পড়ে।
  

 পেশেন্ট এইড

আপনার স্বাস্থ্যের যত্ন নেওয়ার জন্য এটিকে ব্যবহার করতে পারেন ।এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যের জন্য দিক-নির্দেশনা পাবেন। এতে  বিভিন্ন রোগের সকল ওষুধ সমূহ ওষুধের মূল্য ব্যবহারের নির্দেশিকা পাবেন।বাংলা, ইংরেজী  ভাষাতে ব্যবহার করতে পারবেন।

 
ডিমস 

এটি অনেকটা পেশেন্ট এইড অ্যাপসটির মতই কিন্তু এটিতে শুধুমাত্র ইংরেজি ভাষা।

এপিকে এক্সট্রাকটর 

এই অ্যাপসটির সাহায্যে আপনি আপনার মোবাইলের মধ্যে থাকা যেকোনো অ্যাপস কে ফাইল আকারে মেমোরিতে সংরক্ষণ করে রাখতে পারবেন।
 

ভার্চুয়াল ক্লাস শেখার টিপস

 ঘরে বসেই ব্যক্তিগত পাঠদানের জন্য কীভাবে শিক্ষার্থীদের সন্ধান করা যায় তা  কি আপনি জানেন।


আপনার সময়সূচী পূর্ণ, আপনি নিয়মিতভাবে বিভিন্ন স্তরের লোকদের (প্রাথমিক থেকে দ্বিতীয় বছর ব্যাচেলর) ক্লাস দেন, বিভিন্ন পরীক্ষা পাস করতে বা নির্দিষ্ট অধ্যায়ের অ্যাক্সেসের জন্য প্রস্তুত করতে।


সমস্যাটি হ'ল আপনাকে সরে যেতে হবে এবং আপনার সাপ্তাহিক ক্লাসের ভ্রমণের সময় এবং অর্থ অপচয় করতে চলেছে।


আপনার শিক্ষার্থীরা ঘরে বসে ক্লাস চালিয়ে যাওয়ার জন্য আপনার থেকে খুব দূরে থাকবে।


আপনাকে তারা অন্য বেসরকারী শিক্ষকের কাছে যেতে পরামর্শ দিতে হবে বা না হলে আপনি তাদের দূর থেকে শিখিয়ে দিতে পারেন!


আপনি কোন বিষয় পড়ান তা বিবেচ্য নয়: গণিত, পদার্থবিজ্ঞান এবং রসায়ন বিভাগ, ভাষার ক্লাস, ইংরেজি, ফরাসী, সঙ্গীত ... ওয়েব ক্যামের মাধ্যমে এগুলি দূর থেকে দেওয়া সম্পূর্ণ সম্ভব!


কীভাবে?


এটি আমরা এই নিবন্ধে দেখতে যাচ্ছি এবং শেষ পর্যন্ত, বাড়িতে ক্লাসগুলি ছাড়াও, আপনি আপনার ক্লায়েন্টকে প্রসারিত করতে ওয়েব ক্যামের মাধ্যমে ব্যক্তিগত ক্লাস শুরু করতে পারেন। আপনি ইতিমধ্যে ব্যক্তিগত পাঠ সম্পর্কে সব জানেন না?

 অনলাইন ক্লাসের মহাবিশ্ব সম্পর্কে প্রথমে সন্ধান করুন

বিশ্বের যে কোনও জায়গা থেকে স্কাইপে ক্লাস দিন।

আপনার ইতালীয় পড়ানোর জন্য ভবিষ্যতের অফিসের রূপকথার কথা।

পরিষ্কার হয়ে যাক, এগুলি এমইওসি বা সিওএমএর মতো অনলাইন বিশ্ববিদ্যালয় কোর্স নয়, বরং ভাষা, বিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান, ইতিহাস বা জার্মান ভাষাতে ব্যক্তিগত পাঠের মতো দূরবর্তী সময়ে শেখানো ব্যক্তিগত পাঠ।


শুরু করার জন্য, আপনাকে জানতে হবে যে বেশ কয়েকটি সরঞ্জাম থাকা প্রয়োজনীয়:


একটি কম্পিউটার: একটি ক্যামেরা এবং মাইক্রোফোন সহ, এটি আপনাকে আপনার শিক্ষার্থী দেখার অনুমতি দেবে এবং মুখোমুখি ক্লাসের মতো তিনি আপনাকে পরিবর্তে দেখতে পাবেন

একটি ভাল ইন্টারনেট সংযোগ: যাতে ক্লাসটি মসৃণভাবে এবং ভাল চিত্র এবং অডিও মানের সহ চলতে পারে

স্কাইপ বা অন্যান্য ভিডিও কনফারেন্সিং অ্যাপ্লিকেশন: ডাউনলোডের জন্য নিখরচায় এই অ্যাপ্লিকেশনটি আপনাকে আপনার কম্পিউটার, ট্যাবলেট বা মোবাইল থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে কল করতে দেয়। আপনাকে যা করতে হবে তা হ'ল একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে হবে এবং শিক্ষার্থীকে একই কাজ করতে হবে।

পেপাল বা বৈদ্যুতিন অর্থ প্রদানের অন্যান্য উপায়: রিমোট পেমেন্টের জন্য, পেপাল অ্যাকাউন্টের চেয়ে ভাল আর কিছু নয়। সহজ, দ্রুত, নিখরচায় এবং নিরাপদ, আজকাল সকলেই ক্লাসের জন্য অর্থ প্রদানের জন্য এটি ব্যবহার করতে সক্ষম, এটি একটি আদর্শ সমাধান, আপনার আর আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর প্রয়োজন নেই। আমাদের দেশে, মার্কাডোপাগো প্ল্যাটফর্মটি খুব ভালভাবে কাজ করে।

আপনার যদি ইতিমধ্যে একটি প্রতিষ্ঠিত ক্লায়েন্ট আছে, কোনও সমস্যা নেই, কেবল বাড়ির ক্লাসগুলি ছাড়াও বা তার পরিবর্তে আপনার দূরত্বের ক্লাসগুলির পরামর্শ দিন।

যদি অন্যদিকে, আপনি ব্যক্তিগত পাঠের মহাবিশ্বে সবে শুরু করছেন তবে আমাদের নিবন্ধটি "শিক্ষার্থীদের সন্ধান এবং ব্যক্তিগত পাঠ দেওয়ার টিপস" পরামর্শ করুন।

এমন অনেক প্ল্যাটফর্ম রয়েছে যা আপনাকে অনলাইনে প্রাইভেট পাঠ দেওয়ার অনুমতি দেয় এবং শিক্ষার্থীদের পড়াতে শেখায়: যেমন সুপারপ্রোফ, বাসকা তু ক্ল্যাস ইত্যাদি তবে আপনি সুপারপ্রোফ.কম.আরতে অনলাইন ক্লাসের দীক্ষা, সমতলকরণ বা উন্নতির প্রস্তাবও দিতে পারেন।

ক্লাসগুলির স্থানের অনুরোধ করার সময় "ওয়েবক্যাম বাই" বাক্সটি চেক করুন।

এক-এক-এক ওয়েবক্যাম পাঠের হারগুলি কি কম?

সুপারপ্রোফ এ, আপনিই আপনার হারগুলি নির্ধারণ করেন। আমরা দেখতে পেয়েছি যে ওয়েবক্যামের মাধ্যমে পড়াশোনা করা ক্লাসের হার বাড়ির ক্লাসগুলির চেয়ে কম নয়।


এছাড়াও, আপনি একাধিক সুবিধা থেকে উপকৃত হন:


যাতায়াত সময় নষ্ট না - কি আনন্দ! ক্লাসে প্রবেশ ও প্রস্থানের সময় ট্র্যাফিক জ্যাম থেকে মুক্তি পান, আপনার ব্যক্তিগত ক্লাস দেওয়ার জন্য একটি ভাল সময়। আপনাকে কেবলমাত্র আপনার বসার ঘর বা অফিসে আপনার কম্পিউটারের সামনে স্থির হতে হবে এবং আপনার শিক্ষার্থীর ক্লাস বা তাদের বহির্মুখী ক্রিয়াকলাপ থেকে আগত হওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হবে।

বৃহত্তর সঞ্চয়: আপনার যদি ভ্রমণ করতে না হয় তবে আপনি পরিবহণে সঞ্চয় করতে পারবেন। আপনার পেট্রোলের জন্য বা পার্কিংয়ের জন্য অর্থ প্রদান করতে হবে না। এবং আপনি যদি সর্বজনীন পরিবহনে ভ্রমণ করেন তবে আপনাকে এর জন্য আর কোনও মূল্য দিতে হবে না।

ভৌগোলিক সীমাবদ্ধতার বাইরে: দূরত্বের কোর্সের মাধ্যমে আপনি যে কোনও জায়গায় শেখাতে পারেন! আপনি বুয়েনস আইরেস এবং মেন্ডোজাতে আপনার ছাত্র হতে পারেন, কোনও সমস্যা নেই! আপনি এটি ক্লাস দিতে পারেন!

বৃহত্তর নমনীয়তা: আপনি যদি একটি সারিতে পাঠদান করতে চান তবে এটি সম্ভব। এবং যদি আপনার শিক্ষার্থী সৈকতে তার অ্যাপার্টমেন্টে ছুটি কাটাতে চলেছেন, তবে আপনি যোগাযোগ রাখতে এবং প্রযুক্তির জন্য তাকে অনুসরণ করতে পারেন। আপনি যদি পেশাদার হয়ে থাকেন তবে সেই একই হন।

এখন যেহেতু আপনি জানেন যে একটি প্রাইভেট ক্লাস কত খরচ করে, আপনি কি জানেন কোথায় পড়ান?

Definition of fungi, Characteristice, importence, reproduction of fungi.

 

Deffinition : Fungi refers to the multicellular eukaryotic, saprophytes, heteromorphic, and which have no mechanisms for locomotion in thats organism.


characteristics:

 Fungi are eukaryotic.
 They have no chlorophyll.

They acquired nutrients by absorption.

They have no mechanisms for locomotion. The thallus or body of a fungus may consists of a single cell. They have no vascular tissues.

their cell wall is formed through the  chaitin chitin

Their main accumulated food is glycogen, oll drops. 

Their genitals or genitalia is unicellular.


They produce the generations through the haploid spore, vegetative propagation and sexually production.

Some fungi are symbiotic and association with algal cells. These sym biotics/symbionts are termed I called to be Lichens.



The importance of fungi :

The fungi are heteromorphic organisms and so, they require organic compounds for nutrition. they feed on dead orga nic matter, for this reason they also called sprophytes. 

Saprophytes decompose complex plant and animal remains, breaking them down into simpler chemical substances that are turn- ed to the soil and thereby increasing soil fertility:

Thus they can be quite beneficial to humans. Because they used to make foods,


as a source of protein and antibiotic medicines 

Moreover They used to the alcohols industry, bread industry, and abo medicines industry. At present fungi is used as a genetics material to the genetic researches

 Saprophytes fungi is used to removal of poison materials from the environment through the decomposed.

Reproduction of fungi :-

Fungi may produce their generations through the following processes:

Sexually: Sexually reproduction is carried out by fusion of the compatible nuclei of two parent cells. The process of sexual
reproduction beings with the joining of two cells and fusion of  their protoplasts. The sex organelless of fungi. If they are present ope celed gametangia.  There are different between  male and female gametangia morphologically. Male ganetangium is called  antheridium.  And  female gametangi is  called ogonium.


types of sexual spores: 

Ascospores: These is a single celles spores. It is    produced in a sac. This sac also called an ascus.

Basidiospores: these single celled spores

are borne on a club shaped structure is

called a basidium.


Zygospores: these are large, thick walled spores which formed when the tips of two sexually compatible hypae of certain fungi fuse together.

Oospores: These are formed within a special female structure of the oogonium. 

Asexually: Asexually reproduction dose not involved the union of nucles. There are four types of asexually reproductions in fungi.

Fission: It implies that somatic cells produced two similar daughter cells. For example rhizopus.

Budding: ft implies that somatic cells an spores produce a new organisms from an outgrowth bud due to cell division at one particular site. For example: Sacchromyces

Fragmentation: It implies that, disjointing of the hyphal cells and each fragment becoming a new organism i.e. Penicillium.

 Spore formation: It implies that, whose  function is to disseminate the species 


Salient features of aetinomycetes:

Salient features of actinomycetes:

They are the organisms with characteristics  common to both bacteria and fungi. They are gram positive bacteria.

They form spores.

Many species of actinomycetes occur in soil.

Actinomycetes are not harmfull  for  plants, also for animal. They are important pathogens. And most of others beneficial sources for antibiotics. 
Example: streptomyce and Nocardia.

 actinomycetes increase according to the depth of soil. They are heterotrophic, aerobic, mesophilic, thermophilies.

সুখী ,স্বাস্থবান, ও সমৃদ্ধ জীবন গড়ার টিপস

 সুখী ,স্বাস্থবান, ও সমৃদ্ধ জীবন গড়ার জন্য নিচের অভ্যাসগুলো নিজের মধ্যে তৈরি করুন 


 আপনার বাড়িকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখুন।
বাসাবাড়ি যদি সব সময় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকে তাহলে ফুরফুরে মেজাজ হতে সহায়তা করে। কাজ করতে ভাল লাগে মন প্রশান্ত থাকেএবং ব্যায়াম করতে ভালো লাগে। 
   

ডার্ক চকলেট খান : 

 এতে থাকে প্রচুর পরিমাণে মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট থাকে যা মস্তিষ্কের রক্ত প্রবাহ বৃদ্ধির মাধ্যমে প্রচুর পরিমাণে অক্সিজেনের সরবরাহ করে থাকে। যা আমাদেরকে সুস্থ থাকতে সহায়তা করে এবং ফ্রিরেডিকেল এর ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে।
 

প্রতিদিন রাতে মুখ ধৌত করুন :

সারাদিনে বিভিন্ন ধরনের কাজ করার কারণে মুখের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের তেল চর্বি জমা হয় এবং এগুলো আপনার মুখে থাকলে তাকে অনেক ক্ষতি হয়। তাই প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর আগে মুখ ধুয়ে নেবেন যা আপনার মুখের ত্বককে সুস্থ রাখতে সহায়তা করবে পাশাপাশি মুখের ব্রোনকে দূরীভূত করে। 



নিয়মিত দাঁতের যত্ন নিন :

প্রতিদিন অন্তত দুইবার অবশ্যই দাত মাঝবেন। এতে আপনার দাঁতের মধ্যে জমে থাকা খাদ্য থেকে ব্যক্টেরিয়ার মাধ্যমে উৎপন্ন এসিডিটি হাত থেকে রক্ষা করবে। যার সাহায্যে দাঁতের ক্ষয় থেকে বেঁচে থাকতে পারবেন ।আর পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন দাত থাকলে প্রাণ খুলে হাসতে পারবেন।এটি হার্টের সংক্রমণ রোধ করে, স্মৃতিশক্তি তীক্ষ্ণ রাখে এবং রক্তে চিনির ভারসাম্য রক্ষা করতে সাহায্য করে।
নিয়মিত প্রতিবছর  সুস্থতা চেকআপ করুন
নিয়মিত আপনার দেহের বিভিন্ন সমস্যার জন্য চেকআপ করুন। মস্তিষ্কে, হার্টে, বৃক্কে ,যকৃতে যে কোন প্রকার অস্বাভাবিকতা দেখা গেলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন ।


আপনার সঙ্গীকে নিয়মিত  সময় দিন ,তার সাথে আপনার মনের সকল কথা গুলা শেয়ার করুন, তাহলে নিজেকে অনেক হালকা মনে হবে এবং যে কোন ব্যাপারে সন্দিহান হলে তার থেকে পরামর্শ নিন তার প্রতিটি কাজ এর জন্য কৃতজ্ঞ থাকুন এবং প্রশংসা করুন ।কৃতজ্ঞতা প্রকাশের পাশাপাশি প্রশংসা করতে শিখুন যা আপনাদের মধ্যকার সম্পর্ককে আরো গভীর করে তুলবে।

নিয়মিত পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করুন। আমাদের প্রত্যেকের উচিত প্রতিদিন নিয়মিত তিনবেলা যথাসময়ে খাবার গ্রহণ করা ।খাবার মনোযোগের সাথে খাওয়া ।বেশি পরিমাণে শাকসবজি , ডিম ,দুধ ,মাংস ভক্ষণ করা।যা জীবানুর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তুলতে সহায়তা করে। খাবারের পাশাপাশি একটু কায়িক পরিশ্রম করা যা আপনার দেহকে ফিট রাখতে সহায়তা করে। 


বাগান করুন :

আপনার বাড়ির আঙ্গিনায় তে বাগান তৈরি করতে পারেন। যা আপনার শাকসবজির যোগান দিতে পারে পাশাপাশি দেহকে সুস্থ রাখতে সহায়তা করে। উদ্যান আমাদের কে স্ট্রেস এবং হতাশার গ্লানি থেকে রক্ষা করে। এমনকি বহুমূত্র এবং হৃদরোগের ঝুঁকি কমায় এবং নিজের মনের প্রশান্তিকে বৃদ্ধি করতে সহায়তা করে। 

আপনার বাড়ির আঙ্গিনায় বিভিন্ন ধরনের ভেষজ উদ্ভিদ যেমন তুলসী নিম নিম ইত্যাদি উদ্ভিদের রোপন করতে পারেন। যার মাধ্যমে বাড়ির আবহাওয়া চমৎকার হয়ে  থাকে এবং বাতাসকে বিশুদ্ধ করে বাতাসে অক্সিজেনের পরিমাণ বৃদ্ধি করে এবং  কার্বন-ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ হ্রাস করে।

প্রতিদিন কমপক্ষে 15 থেকে 20 মিনিট হাঁটুন। তাছাড়াও সাঁতার কাটতে পারেন, সাইকেল চালাতে পারেন, হালকা শারীরিক ব্যায়াম করতে পারেন, এবং বাসার টুকিটাকি কাজ করার মাধ্যমে কায়িক পরিশ্রম করতে পারেন। যা আপনার দেহকে সুস্থ রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। 


পরিবারের সাথে ভালো করে মিশুন। তাদের সাথে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে গল্প করুন। একসাথে পানাহার করুন। পিতা-মাতা-সন্তান এর যত্ন নিন। সন্তানেরা পিতা-মাতার ছোটখাটো কাজে সহায়তা করুন। এতে পরস্পরের মধ্যে সম্পর্ক অনেক গভীর হয় ও  প্রশান্তি আসে। 

 
আপনার পায়খানাটিকে নিয়মিত পরিষ্কার করুন এবং দুর্গন্ধ মুক্ত রাখুন। পায়খানা করার সময় অনেকেই বদভ্যাসের কারণে অন্যান্য কাজ করে থাকে যেমন মোবাইল টিপে।এসব বাজে থেকে বিরত থাকুন।  কখনো প্রস্রাব পায়খানা চেপে রাখবেন না, এটি দেহের পক্ষে অত্যন্ত ক্ষতিকর এমনকি রোগ হতে পারে।
 
সহজ সাধারণ ঢিলা ডালা পোশাক পরিধান করুন। ঢিলা ঢালা পোশাক পরিধান করা  ও টাইট সকল। 

করোনা ভাইরাসে সুস্থ থাকার উপায়

 করোনাভাইরাস মহামারী: একচেটিয়াভাবে এর বিষয়গুলি সম্পর্কে জানুন।


2020 সালে, "পজিটিভ" শব্দটি হয়ে গেছে "নেগেটিভ" এবং "নেগেটিভ" শব্দটি হয়ে গেছে "পজিটিভ"। এই বছর

যার মধ্যে নেগেটিভ পাওয়া গেছে সে স্বস্তিতে রয়েছে আর যার মধ্যে পজিটিভ পাওয়া গেছে সে অনেক শঙ্কায়

রয়েছে, কষ্ট ভোগ করেছে।


করোনভাইরাস বা কোভিড -১৯ বিশ্বব্যাপী একটি রোগ যা সংক্রামক এবং এটি বিপজ্জনকও। সুতরাং

প্রত্যেকের এটি সম্পর্কে বিস্তারিত জানা উচিত এবং এর থেকে কীভাবে মুক্তি পাওয়া যায় তা জানা উচিত,

যেন আমরা সবাই এর থেকে সাবধান হতে পারি এবং প্রয়োজনে সতর্কতা অবলম্বন করতে পারি।


এই আর্টিকেলে, আপনারা এর সম্পর্কে বিস্তারিত জানবেন যে কীভাবে আমরা করোনা ভাইরাস থেকে নিজেদের

রক্ষা করে সুস্থ থাকতে পারি এবং সেগুলি মান্য করার চেষ্টা করবেন। 

করোনাভাইরাস কী:

করোনাভাইরাস হলো একটি সংক্রামক রোগ যা বিনামূল্যে মুক্তার মতো সবার কাছে বিলিত হচ্ছে। এটির

আরেকটি নাম COVID-19। এটি 2019 সালের ডিসেম্বরে প্রথম পাওয়া গেছে। এটি এমন এক ধরণের ভাইরাস

যা সাধারণত মানুষ সহ স্তন্যপায়ী প্রাণীর শ্বাস প্রশ্বাসের ট্র্যাক্ট (মুখ, নাক, গলা) সংক্রামিত করে,

সর্দি-জ্বর, নিউমোনিয়া এবং তীব্র শ্বাস প্রশ্বাসের সমস্যা সৃষ্টি করে। আর এটিকে একটি নোভেল

করোনাভাইরাস হিসাবে বলা হয়। করোনাভাইরাস একটি নতুন স্ট্রেন যা পূর্বে মানুষের মধ্যে সনাক্ত করা যায়

নি।


কোরোনাভাইরাসটি কোথায় শুরু হয়েছিল:

কোভিড -19 এর উদ্ভব চীনের উহান থেকে হয়েছিল। তারা ২০১৯ সালের ডিসেম্বরের প্রথম দিকে লক্ষণগুলির

শুরুতে মানব শরীর থেকে সনাক্ত করেছে। শনাক্ত করার পরে তারা তদন্ত শুরু করে। কিছু কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে

এটি ওহানের একটি পাইকারি খাদ্য বাজার থেকে এসেছে। ইন্টারন্যাশনাল কমিটি অন টেকনোমি অফ ভাইরাস (আইসিটিভি) ১১ ফেব্রুয়ারিতে নতুন ভাইরাসের নাম হিসাবে "গুরুতর তীব্র শ্বসন সিন্ড্রোম করোনভাইরাস 2 (সারস-কোভি -2)" ঘোষণা করেছিল। ভাইরাসটি জিনগতভাবে সম্পর্কিত হওয়ার কারণে এই নামটি বেছে নেওয়া

হয়েছিল। ২০০৩ এর সারস প্রাদুর্ভাবের জন্য দায়ী করোনভাইরাস যদিও সম্পর্কিত, দুটি ভাইরাসই আলাদা।


এটি যেভাবে ছড়িয়ে পড়ে:


আজকে বিশ্বকে বৈশ্বিক গ্রামও বলা হয়। কারণ আমরা আমাদের প্রযুক্তির জন্য সহজে এবং দ্রুত যোগাযোগ

করতে পারি। প্রথমে এটি উহানে শুরু হয়েছিল কিন্তু প্রত্যক্ষ বা অপ্রত্যক্ষভাবে এর বিস্তার এক ব্যক্তি

থেকে অন্য ব্যক্তির মধ্যে ছড়িয়ে পরেছিল। এই ভাইরাস ছড়ায় মানুষের নিঃশ্বাসের দ্বারা বাতাসের

মাধ্যমে।তবে তারা বুঝতে ও নিয়ন্ত্রণ করতে পারার আগে এটি পুরো বিশ্বের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে। যা পুরো

বিশ্বের মধ্যে মহামারি সৃষ্টি করে।


করোনা ভাইরাসের লক্ষণগুলি হলো:


করোনাভাইরাস এতটাই জটিল মাঝে মাঝে যে কোনও লোক লক্ষণ ছাড়াই সংক্রামিত হয়। তবে এর কিছু লক্ষণ

রয়েছে যা সম্পর্কে আপনার জানা এবং সতর্ক হওয়া উচিত।


গুরুতর লক্ষণগুলি হলো : ১. শ্বাসকষ্ট দেখা দেয়, ২. বুকের মধ্যে চাপ বা যন্ত্রণা হয়, ৩. বাক্রোধ বা

চলাচলের প্রচলন কম বা সমস্যা হয়, ৪. ত্বকের মধ্যে কিছু ফুসকুড়ি, আঙ্গুলের বিবর্ণতা দেখা দেয়।


সাধারণ লক্ষণগুলি হলো: ১. শরীর ব্যথা করে এবং অস্বস্তি হয়ে থাকে, ২. মাথা ব্যথা, ৩. কনজেন্টিভাইটিস,

৪. ডায়রিয়া, ৫.ঘাড়ে বা গলায় ব্যথা, ৬. কোনো কিছুর স্বাদ বা গন্ধ না পাওয়া, ৭. বমি হয়, ৮. অবসন্নতা,

৯.জ্বর, ১০. স্বর্দি কাশি ইত্যাদি।


আপনার যদি এই লক্ষণগুলি থাকে তবে তা নিয়ে অবহেলা না করে দ্রুত পরীক্ষা করুন। কারণ আপনার একটু

অবহেলার কারণে আপনারা সাথে আরও অনেকের মৃত্যু হতে পারে। যদি আপনার যদি নেগেটিভ আসে তবে তা

আপনার জন্য ভাল এবং যদি আপনার পজিটিভ আসে তবে আপনি সবার থেকে বিচ্ছিন্নভাবে থাকবেন বা

এমনভাবে নিজেকে রাখবেন যেন আপনার কাছে কেউ না আসতে পারে কিংবা কেউ সংক্রমিত না হতে পারে। আর

বেশি সমস্যা হলে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে সেখানে চিকিৎসা নিবেন।


করোনাভাইরাস এর সমাধান:


আপনার যদি এই লক্ষণগুলির মধ্যে একটি থাকে তবে আপনার এটি পরীক্ষা করা উচিত অন্যথায় এটি দেরী

হতে পারে। আপনার যে সমস্যাগুলি বা লক্ষণ দেখা দিয়েছে তা চিকিৎসকের কাছে খুলে বলুন যেন সে আপনার

লক্ষণ অনুযায়ী আপনাকে সঠিক চিকিৎসা দিতে পারে। তবে স্ব-যত্নও জরুরি। কারণ চিকিৎসক যতই

আপনাকে সেবা দিয়ে যাক না কেন আপনি যদি মানসিক দিক দিয়ে সুস্থ না থাকেন কিংবা সবসময় ভয়ে থাকেন

তবে আপনার শরীর আরও খারাপ হয়ে যাবে যা আপনাকে কখনও ভালো ফল দিবে না।


তবে যাদের করোনা হয়নি অথবা যাদের একবার হয়েছে তাদের যে করোনা হবেনা তা নয়। করোনা যে কোনো

মানুষের হতে পারে। তাই যাদের করোনা হয়নি বা হয়েছে সবাইকে করোনা থেকে সুস্থ থাকার নিয়ম মেনে চলতে

হবে। তবেই আমরা করোনা থেকে মুক্তি পেতে পারি।


তাই এই জন্য আপনাকে কিছু নিয়ম মেনে চলতে হবে যা আপনাকে করোনা সংক্রমন থেকে রক্ষা করতে পারে।

যেমন আপনাকে সবসময় বাইরে গেলে বা কারো সাথে মিশলে বাধ্যতামূলক মাস্ক পরতে হবে, গ্লোভস পরতে

হবে, প্রচুর পরিমাণে পানি / তরল পান করতে হবে, সবসবময় পুষ্টিকর খাবার খাওয়া উচিত, বাইরের খাবার

খাওয়া বন্ধ করতে হবে বিশেষ করে যেসব খাবার খোলামেলা পাওয়া যায়। এর সাথে আপনাকে শরীরের তাপমাত্রা

চেক করতে হবে যেন তা সবসময় নিয়ন্ত্রণে থাকতে পারে।


এছাড়াও আপনাকে সবসময় সক্রিয় থাকতে হবে। যেহেতু করোনার সময় সব কিছু বন্ধ তাই বাইরে যাওয়া বা

শারীরিক পরিশ্রম কম হয়। তাই বাড়িতেই আমাদের শারীরিকভাবে সক্রিয় থাকার ব্যবস্থা করতে হবে। যেমন

অনুশীলন করতে হবে, স্বাস্থ্যকর ডায়েট বজায় রাখতে হবে, কমপক্ষে এক মিটার দূরে নিজেকে রাখতে হবে।


তবে শারীরিক স্বাস্থের সাথে আপনার নিজের মানসিক স্বাস্থ্যেরও যত্ন নেওয়া দরকার। কেননা এ সময়

আমরা কারো সাথে মিশতে পারি না, কোথাও যেতে পারি না যা আমাদের মানসিক দিক দিয়ে অসুস্থ করে ফেলে।

করণ এইসব একটি বন্দি জীবনের মত যা সবার জন্য খুব বড় একটি মানসিক চাপ। তাই আমাদের এই সময়

পরিবারের সবার সাথে বেশি করে সময় কাটাতে হবে, তাদেরকে সমস্যার কথা খুলে বলতে হবে। তবেই সকলে মিলে

সমাধান করতে পারবে এবং জীবনটা একটু হলেও সহজ হবে।


করোনা ভ্যাকসিনঃ


কোভিড টিকা দেওয়ার প্রচারণা এখন ইউকে এবং সারা বিশ্বে চলছে। মানুষের অসুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা কমাতে,

হাসপাতালের চিকিত্সা প্রয়োজন বা মারা যাওয়ার সম্ভাবনা কমাতে প্রচুর ভ্যাকসিন ব্যবহার করা হচ্ছে।

আরও দুটি ভ্যাকসিনকে সবেমাত্র বৃহত্তর ক্লিনিকাল ট্রায়ালগুলিতে কাজ করতে দেখানো হয়েছে।


বাংলাদেশেও এখন ভ্যাকসিন এসে পড়েছে। অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনিকা টিকা প্রস্তুতকারী বিশ্বের বৃহত্তম

ভ্যাকসিন প্রস্তুতকারক সিরিয়াম ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়ার সাথে গত বছরের ডিসেম্বরে একটি ত্রিপক্ষীয়

চুক্তি অনুসারে স্থানীয় বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস সংস্থাটি এই ভ্যাকসিনটি বাংলাদেশে আনার কথা

রয়েছে।


তবে, আরও ভ্যাকসিন পেতে জার্মানির বায়োনেটেক এসই এবং মার্কিন ফিজার ইনক এর সাথে আলোচনা করছে

এবং দরিদ্র দেশগুলিতে কোভিড -১৯ ভ্যাকসিন সরবরাহের জন্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গ্লোবাল স্কিমের

কাছ থেকে এই দেশটি সহায়তা পাবে বলে আশাবাদী।


তাদের ভ্যাকসিনগুলি আনতে বাংলাদেশ একটি চীনা সংস্থার সাথেও যোগাযোগ করছে। সকলে যেন ভ্যাকসিন

পায় সে জন্য সরকার সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করছে। এই ভ্যাকসিন ভাইরাসের বিরুদ্ধে সুরক্ষা (প্রতিরোধ

ক্ষমতা) তৈরি করতে শরীরের জন্য টিকা দেওয়ার কয়েক সপ্তাহ সময় নেয়। তার মানে কোনও ব্যক্তি টিকা

দেওয়ার ঠিক পরেও করোনায় আক্রান্ত হতে পারে। কারণ ভ্যাকসিনের সুরক্ষা দেওয়ার পর্যাপ্ত সময় নেই।


তাই ভ্যাকসিন পাওয়ার আগে কিংবা পরে সবসময়ই আমাদের সচেতন থাকতে হবে। আর উপরে দেওয়া উপায়গুলো হল করোনা ভাইরাস থেকে সুস্থ থাকার উপায়।